ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঘাড়ে ব্যথা বা পেশি শক্ত হচ্ছে? হতে পারে ভিটামিনের ঘাটতি
ডুয়া ডেস্ক: ঘাড়ে ব্যথা, পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, অবশ ভাব বা টান লাগার মতো সমস্যাকে অনেকেই সাময়িক অস্বস্তি বলে এড়িয়ে যান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে ভিটামিন ডি কিংবা ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি থাকলে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন ও শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানের ঘাটতিও এ ধরনের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ডি হাড় ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে এ ভিটামিনের অভাব হলে ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। অন্যদিকে, ভিটামিন বি১২ স্নায়ুর সুরক্ষায় কাজ করে। এর ঘাটতি হলে ঘাড়ের স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা অবশ ভাব বা সারভাইকাল র্যাডিকুলোপ্যাথির মতো সমস্যার কারণ হতে পারে।
টানা কয়েক দিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তে ভিটামিন ডি ও বি১২-এর মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত। এ ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় তৈলাক্ত মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা পেশির সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কখনো কখনো ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণেও তীব্র ঘাড়ব্যথা হতে পারে। আবার শরীরে পানির স্বল্পতা দেখা দিলে পেশিতে খিঁচুনি বা ক্র্যাম্প হতে পারে। তবে শুধু পানি পান করলেই যথেষ্ট নয়; শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানের ভারসাম্যও বজায় রাখতে হয়। বিশেষ করে যারা নিয়মিত খেলাধুলা করেন বা অতিরিক্ত ঘামেন, তাদের ক্ষেত্রে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। এ কারণে অনেক সময় লবণপানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রোটিনের ঘাটতিও ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ হতে পারে। ডিম, মাছ ও মাংসে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম রুই, কাতলা বা স্যামন মাছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। নিরামিষভোজীদের জন্য দুধ, পনির, ডাল, শিম, সয়াবিন ও টোফু ভালো উৎস। পাশাপাশি ম্যাগনেসিয়াম পেশি শিথিল রাখতে এবং ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে।
অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড় শক্ত হয়ে যায় বা সামান্য নড়াচড়াতেই ব্যথা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে শুধু ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে সমস্যার সমাধান হবে এ ধারণা সঠিক নয়। কারণ ওষুধে সাময়িকভাবে ব্যথা কমলেও মূল কারণ থেকে গেলে সমস্যা আবার ফিরে আসতে পারে।
অনেকে মনে করেন, সূর্যের আলো পেলেই শরীরে ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি উৎপন্ন হলেও তা শরীরে কার্যকরভাবে পৌঁছাতে সময় লাগে। তাই খাদ্য থেকেই সরাসরি ভিটামিন ডি গ্রহণ করা বেশি কার্যকর। তৈলাক্ত মাছ, সামুদ্রিক মাছ, দুগ্ধজাত খাদ্য, ডিম, ইলিশ, রুই-কাতলার পেটি ও তেল, তেলাপিয়া, সরপুঁটি, দানাশস্য, ওটস, ফর্টিফায়েড দুধ ও দই ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস হিসেবে বিবেচিত।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্বের ফল প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে যেতে টিকিট কাটবেন যেভাবে
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- ভাতা-উপবৃত্তির আবেদন শুরু, জেনে নিন পদ্ধতি
- ‘গুলশানের চামেলি’ তে যৌনকর্মীর দালাল অ্যাডলফ খান
- কবে শুরু হচ্ছে ঢাবির ভর্তি আবেদন, জানাল কর্তৃপক্ষ
- এক ক্লিকে জেনে নিন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ও ফিচার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ আগস্ট)
- নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল
- কবে হবে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, জানা গেল যা
- আজকের বাজারে স্বর্ণ-রুপার দাম (৫ আগস্ট)
- পাঁচ দপ্তরে নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার
- ঢাবি আইবিএর এক্সিকিউটিভ এমবিএতে ভর্তি শুরু, আবেদন ১২ আগস্ট পর্যন্ত
- প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাইভা শুরুর নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর