ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন আজ
ডুয়া ডেস্ক: সংসার, চাকরি, সন্তান ও নানা দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে কাছের মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর সুযোগ অনেক সময় হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততার কারণে ভালোবাসার কথাগুলোও অনুচ্চারিত থেকে যায়। সেই জায়গা থেকে বছরে অন্তত একটি দিন জীবনসঙ্গীর যত্ন, ভালোবাসা ও অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে পালিত হয় ‘ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা স্ত্রীর প্রশংসা দিবস। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রবিবার এই দিবসটি পালিত হয়। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবসটি পালিত হচ্ছে।
দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর ভালোবাসা, ত্যাগ ও নানা অবদানের স্বীকৃতি দেওয়াই দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য। দিনটি কোনো সরকারি ছুটির দিন নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দম্পতিরা নিজেদের মতো করে দিনটি উদ্যাপন করেন।
ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে কবে এবং কার উদ্যোগে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। ন্যাশনাল ডে ক্যালেন্ডারও দিবসটির প্রতিষ্ঠাতা কিংবা শুরুর বছর নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে দিবসটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। কিছু সূত্রে যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৬ সাল থেকে দিনটি পালনের কথা উল্লেখ করা হলেও সেটিকে নিশ্চিত প্রতিষ্ঠাবর্ষ হিসেবে ধরা যায় না।
দিবসটি চালুর পেছনে একটি প্রচলিত ব্যাখ্যাও রয়েছে। মা দিবসে সন্তান থাকা মায়েদের গুরুত্ব দেওয়া হলেও সন্তানহীন বিবাহিত নারীদের জন্য আলাদা করে উদ্যাপনের সুযোগ ছিল না-এমন ধারণা থেকেই স্ত্রীদের প্রতি প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য আলাদা একটি দিনের প্রচলন হয়েছে বলে বলা হয়। সময়ের সঙ্গে সেই ধারণার পরিধি বেড়েছে। এখন সন্তান থাকুক কিংবা না থাকুক, সব স্ত্রীকে ভালোবাসা ও সম্মান জানানোর উপলক্ষ হিসেবেই দিনটি পালিত হয়।
একটি সংসারের পরিসর কেবল চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সেখানে ভালোবাসা ও অভিমানের পাশাপাশি থাকে দায়িত্ব, ত্যাগ এবং অসংখ্য না-বলা গল্প। পরিবারের কাজ করা, সন্তানদের দেখাশোনা, স্বামীর পাশে থাকা কিংবা নিজের ক্লান্তি গোপন রেখে পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটানোর মতো অনেক কাজই আলাদা করে প্রশংসা পায় না।
এই অবদানগুলোকে স্বীকার করার একটি উপলক্ষ তৈরি করে ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে। প্রতিদিনের দায়িত্ব বলে বিবেচিত হলেও এসব কাজের পেছনে যে ভালোবাসা ও শ্রম থাকে, দিনটি তা উপলব্ধি করার সুযোগ দেয়। এ জন্য দামি উপহারের প্রয়োজন নেই; আন্তরিক প্রশংসা কিংবা কৃতজ্ঞতার কয়েকটি কথাও হতে পারে উদ্যাপনের সুন্দর মাধ্যম।
আজ স্ত্রীকে ফুল দেওয়া, তাঁর পছন্দের খাবার রান্না করা, বাইরে খেতে যাওয়া কিংবা একসঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর মতো ছোট আয়োজন করা যেতে পারে। চাইলে একটি ছোট চিঠির মাধ্যমেও জানানো যায়, তাঁর করা ছোট ছোট কাজগুলো চোখে পড়ে এবং তাঁর অবদানের মূল্য বোঝা হয়।
প্রিয় মানুষটিকে বলা যেতে পারে, ‘তুমি আমার জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ অথবা, ‘আমার জীবনে তোমার মতো একজন মানুষ আছে, এটাই আমার বড় পাওয়া। তোমাকে পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।’
তবে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের যত্ন ও সম্মানই দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও সুন্দর করে তোলে। এরপরও ব্যস্ত জীবনের মধ্যে কোনো একটি দিন যদি জীবনসঙ্গীর প্রতি একটু বেশি যত্নশীল হওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়, তাহলে সেই দিনটিরও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর