ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ইরানের ৪০ শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের ওপর পরিচালিত ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর শুরুর মাত্র এক মিনিটেই দেশটির ৪০ জন সামরিক ও নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
রোববার (১ মার্চ, ২০২৬) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। তেহরানের সম্ভাব্য হুমকি চিরতরে নস্যাৎ করতেই এই ‘আগাম হামলা’ চালানো হয়েছে বলে দাবি তেল আবিবের।
আইডিএফ জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তেহরানের বেশ কয়েকটি স্থানে সুনির্দিষ্টভাবে এই হামলা চালানো হয়। যে সময় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাতজন সদস্য একটি বৈঠকে সমবেত হয়েছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই সেখানে আঘাত হানে ইসরায়েলি মিসাইল।
নিহতদের তালিকায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। উল্লেখ্য, এর আগে জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি নিহত হওয়ার পর মুসাভিকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া আইডিএফ এক বিস্ফোরক বিবৃতিতে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকেও হত্যার দাবি করেছে।
আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযানের শুরুতেই তারা পশ্চিম ও মধ্য ইরানের অধিকাংশ রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে তেহরানের আকাশে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে ২০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ইরানের প্রায় ৫০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। বিশেষ করে কোমের কাছে থাকা বিশাল একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বিস্ফোরকসহ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের এই অভিযানের সমান্তরালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে বড় ধরনের সামরিক কার্যক্রম শুরু করেছে। জানা গেছে, মার্কিন বাহিনী ইরানের প্রায় ৯০০টি ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। দুই দেশের এই সমন্বিত আক্রমণে ইরানের কমান্ড চেইন বা নেতৃত্ব ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করছে ইসরায়েল।
এদিকে, ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ইরানও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে। যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনেও পুরো ইসরায়েল জুড়ে সাইরেন বাজতে শোনা গেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। ইসরায়েল এই ‘ডেকাপিটেট স্ট্রাইক’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার ঘটনাকে তাদের আধুনিক সমর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- ফ্রান্সের উদ্দেশ্য দেশ ছাড়লেন ড. ইউনূস
- বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের ঈদের শুভেচ্ছা
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার