ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২
ঘরে বসেই পাবেন স্টারলিংক সংযোগ
.jpg)
ডুয়া ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে স্যাটেলাইট নির্ভর ইন্টারনেট সেবা হিসেবে ‘স্টারলিংক’ বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় নাম। মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এরোস্পেস কোম্পানি স্পেসএক্স এই সেবা পরিচালনা করছে। ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার শতাধিক দেশে ইতোমধ্যেই স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু রয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। সেবাটি চালুর পর অনেকেই স্টারলিংক নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। চলুন, স্টারলিংকের সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ চালু করেছে—‘স্টারলিংক রেসিডেন্স’ এবং ‘রেসিডেন্স লাইট’।
‘স্টারলিংক রেসিডেন্স’ প্যাকেজের মাসিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার টাকা, আর ‘রেসিডেন্স লাইট’ প্যাকেজের জন্য মাসে লাগবে ৪ হাজার ২০০ টাকা।
সেবাটি ব্যবহার করতে এককালীন ৪৭ হাজার টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় সেটআপ সরঞ্জাম কিনতে হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সেবায় কোনো স্পিড বা ডাটা সীমা নেই। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৩০০ এমবিপিএস গতির আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
বাংলাদেশি গ্রাহকরা আজ থেকেই এই সেবার জন্য অর্ডার দিতে পারবেন।
ঘরে বসেই স্টারলিংক সংযোগ কীভাবে নেবেন
স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবস্থায় তিনটি মূল উপাদান রয়েছে, যথা: গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট এবং রিসিভার অ্যান্টেনা। সংযোগ পেতে স্টারলিংকের স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াই-ফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও প্রয়োজনীয় ক্যাবল।
এই কিট সেটআপ করা বেশ সহজ। শুধু প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটিকে খোলা জায়গায়, আকাশের দিকে মুখ করে স্থাপন করলেই হবে।
তবে প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশে বসে কীভাবে এই সংযোগ পাওয়া যাবে? কারণ, দেশে এখনো স্টারলিংকের নিজস্ব গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি।
এ অবস্থায় বাংলাদেশে স্টারলিংক সংযোগ পেতে হলে সরাসরি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সাইটে গিয়ে আপনি ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামে দুটি সেবা অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেজ বেছে নিয়ে সংযোগের জন্য অর্ডার করতে পারবেন।
স্টারলিংকের ‘রেসিডেনশিয়াল’ পরিষেবা নিতে চাইলে প্রথমে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের সঠিক ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। এতে করে জানা যাবে, আপনার এলাকায় এই সেবা বর্তমানে উপলব্ধ কি না।
তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ সরকার এখনো স্টারলিংকের ‘রোম’ অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ ইন্টারনেট সেবার অনুমোদন দেয়নি। তাই আপাতত স্থায়ী ঠিকানাভিত্তিক সেবাই গ্রহণ করা যাবে।
ঠিকানা নিশ্চিত করার পর ‘চেকআউট’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ ও পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। এরপর ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করে সেবা প্যাকেজ নির্বাচন করে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই সরঞ্জাম গ্রাহকের ঠিকানায় পৌঁছে যায়।
স্টারলিংক একটি ৩০ দিনের ট্রায়াল সুবিধাও দেয়, যেখানে সেবায় অসন্তুষ্ট হলে গ্রাহক পুরো অর্থ ফেরত পেতে পারেন। তবে বাংলাদেশে এই রিফান্ড সুবিধা কার্যকর হবে কিনা, তা জানতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ডেনিম উৎপাদন বাড়াতে এভিন্স টেক্সটাইলসের বড় পরিকল্পনা
- চলতি সপ্তাহে ঘোষণা আসছে ৫ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে শেয়ারবাজারের ১১ কোম্পানিতে
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে
- ব্যাংকিং খাতে এমডিদের পদত্যাগের ঢেউ: সুশাসনের সংকট স্পষ্ট