ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
নিজ নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েল ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের আশঙ্কায় এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হতে পারে এমন উদ্বেগে নিজ দেশের নাগরিকদের দ্রুত ইসরায়েল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি নির্দেশনায় জানিয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে, তাই বাণিজ্যিক বিমান চলাচল সচল থাকতেই যেন নাগরিকরা ইসরায়েল ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, “যতক্ষণ বাণিজ্যিক বিমান চালু আছে, সেই সময়ের মধ্যে ইসরায়েল ছাড়ার পরিকল্পনা করুন।” একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বড় ধরণের কোনো অগ্রগতি না আসায় এই নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক আলোচনা। গত বৃহস্পতিবারের সেই বৈঠকে পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় কোনো সমাধান আসেনি। যদিও আগামী সপ্তাহে পুনরায় বসার কথা রয়েছে, তবে মাঠের পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েক ডজন শক্তিশালী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো সময় হামলার সবুজ সংকেত দিতে পারেন ট্রাম্প।
এদিকে, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি এক বিশেষ বার্তায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এক ইমেইল বার্তায় কর্মীদের জানিয়েছেন, যারা ইসরায়েল ছাড়তে চান তারা যেন আজই বেরিয়ে পড়েন। হুকাবি তাঁর বার্তায় পরামর্শ দেন, “যে দেশেরই বিমানের টিকিট পাবেন সেখানকার টিকিট কাটুন। এরপর সেখান থেকে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। কিন্তু সবার আগে ইসরায়েল থেকে নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করুন।”
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে তাদের তিনটি প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলতে হবে এবং সকল পারমাণবিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার চুক্তিতে আসতে হবে। বিপরীতে, ইরান কেবল একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কার্যক্রম স্থগিত রাখার ওপর জোর দিচ্ছে। দুই দেশের এই নীতিগত অনড় অবস্থানই মূলত পুরো অঞ্চলকে একটি বড় ধরণের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান, জবাবে ১৬৯ রান
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)
- শনিবার ঢাকায় বন্ধ যেসব মার্কেট ও দোকানপাট
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন
- সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃ/ত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে: রিজভী