ঢাকা, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
‘সীমান্তের মানুষগুলো ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন’
নিজস্ব প্রতিবেদক: এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, তিনি সীমান্তবর্তী প্রান্তিক এলাকায় গিয়ে দেখেছেন সেখানকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি ব্যবস্থায় কোনো ধরনের সুরক্ষা নেই। তাঁর দাবি, সেখানে নানা ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটে এবং কৃষকেরা নিজেদের জমিতে গিয়ে চাষাবাদ ও উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারেন না, ফলে তারা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কৃষি সেলের উদ্যোগে আয়োজিত “ধান কেনার মৌসুমে সরকারি শর্ত ও অসময়ের অতিবৃষ্টিতে কৃষকের হাহাকার: সংকট ও উত্তরণের পথ” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি গতকাল সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে যাওয়ার পথে পুলিশ তাকে প্রবেশে বাধা দেয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষায়, দেশের ভেতরের একটি এলাকায় যেতে না দেওয়াটা বর্তমান সরকারের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি আরও দাবি করেন, সীমান্তে গিয়ে তিনি দেখেছেন মানুষের খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা নেই এবং কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়ছেন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক আরও বলেন, কৃষি ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শ ছিল, কিন্তু সেই ধারার প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক প্রতীক এখন আর কার্যকর নেই। তাঁর মতে, কৃষককেন্দ্রিক রাজনীতির যে ভিত্তি ছিল, তা সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছে।
তিনি হাওরের ধান উৎপাদন ও কৃষি পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, দেশের ধান উৎপাদন ও কৃষি ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাঁর দাবি, কৃষি খাতকে ঘিরে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা কৃষকদের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রভাব বিস্তার করছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সীমান্ত এলাকায় একটি ঘটনায় স্থানীয়রা এক বিএসএফ সদস্যকে প্রতিহত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, ভবিষ্যতে কেউ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতে এলে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে আছে এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি দাবি করেন, দেশের মানুষ প্রয়োজনে কষ্ট স্বীকার করলেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, জনগণের জীবনমান ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে নীতি গ্রহণ করা উচিত।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র নতুন কমিটি ঘোষণা
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী
- শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ
- মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন যুগের শুরু: গাইডলাইন প্রকাশ করল বিএসইসি
- সাদিক কায়েমের বিয়ে নিয়ে যা জানা গেছে
- ৫৪ জেলায় টিসিবির ডিলার নিয়োগ, আবেদন শুরু ১০ মে
- ব্যবসায় বড় লাফ ইউসিবি ও লিন্ডে বিডির
- ঢাবিতে প্রথমবারের মতো আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি কর্মশালা
- মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের দাবি এমজেএফের
- ঢাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল
- ঈদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, মাদরাসায় টানা ২১ দিন বন্ধ
- মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য জেবা জান্নাতের
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর যোগদান
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের চালু বেত্রাঘাত! কার্যকর যেদিন থেকে