ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২

উত্তরবঙ্গকে শিল্পের রাজধানী বানানোর অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

২০২৬ জানুয়ারি ২৩ ১৬:৪৬:৪৩

উত্তরবঙ্গকে শিল্পের রাজধানী বানানোর অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই উত্তরাঞ্চলকে পরিকল্পিতভাবে অবহেলার শিকার করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি কোনো বক্তব্য দিতে নয়, বরং ইতিহাসের সাক্ষী হতে সমাবেশে এসেছেন। তার ভাষায়, উত্তরবঙ্গ দেশের কলিজার অংশ হলেও ইচ্ছাকৃতভাবে এই অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। তবে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে মাত্র পাঁচ বছরেই উত্তরবঙ্গের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবসমাজ নয় আমরা কর্মসংস্থানে ভরপুর একটি অঞ্চল দেখতে চাই। প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আল্লাহ তায়ালা দায়িত্ব দিলে দেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। পঞ্চগড়েও একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। অর্থের উৎস নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে সেই অর্থ উদ্ধার করেই জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরবঙ্গকে আমরা শিল্পের রাজধানীতে রূপ দিতে চাই। পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে। আগামী দিনে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। যুবসমাজের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশ গঠনের অঙ্গীকারও করেন জামায়াত আমির।

রাজনৈতিক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কোনো বিশেষ ‘কার্ড’ নেই জনগণই আমাদের একমাত্র শক্তি। এতদিন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত আওয়াজ উঠলেও ভারসাম্য ছিল না। এবার সেই আওয়াজ হবে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত। তিনি বলেন, কিছু মানুষ সুযোগের সময়ে হাজির হয়, কিন্তু দুঃসময়ে দেশবাসীকে ফেলে চলে যায়। জামায়াতে ইসলামী কখনো দেশ ছেড়ে যায়নি, ভবিষ্যতেও যাবে না।

১২ তারিখে বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরোনো দুর্বৃত্তরা যেন নতুন পোশাকে ফিরে আসতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ ১০ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

১২ ঘণ্টার ব্যবধানেই সোনার দামে বড় লাফ

১২ ঘণ্টার ব্যবধানেই সোনার দামে বড় লাফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের অস্বাভাবিক অস্থিতিশীলতার কারণে দেশের বাজারে আবারও বড় ধরনের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স... বিস্তারিত