ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
আগামীর বাংলাদেশে সহিংসতা নয়, বরং শান্তির রাজনীতি চায় যুবসমাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনৈতিক অস্থিরতা আর জনভোগান্তির কবল থেকে দেশকে বাঁচাতে এবং আগামীর বাংলাদেশে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে একজোট হয়েছে দেশের একঝাঁক সচেতন তরুণ। সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর রাজপথে এক নীরব প্রতিবাদের মাধ্যমে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য রাজপথের নৈরাজ্য নয় বরং সংসদীয় সংস্কৃতির চর্চাই এখন সময়ের দাবি। দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে এক সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ার লক্ষে এই সংহতি প্রকাশ করে তারা।
ইয়ুথ ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ, আমরাই আগামী, প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন এবং লিগ্যাল এইড অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (LAHDF) এই চারটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মৌন মানববন্ধনে অংশ নিয়ে যুব প্রতিনিধিরা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, গণতান্ত্রিক পরিবেশে সহিংসতা, জ্বালাও-পোড়াও বা ভাঙচুর কেবল জননিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করে না, বরং দেশের অর্থনীতির চাকাকেও স্থবির করে দেয়। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে এমন কোনো কর্মকাণ্ডই রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না বলে তারা উল্লেখ করেন।
অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে বার্তা দেন যে, জাতীয় সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত সংসদ। রাজপথের নৈরাজ্য করে কোনো সমস্যার গঠনমূলক সমাধান সম্ভব নয়। তারা বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান সংসদ, সংলাপ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বের করা সম্ভব। সহিংসতা কোনো দেশকেই এগিয়ে নিতে পারে না, বরং উন্নয়নকে কয়েক ধাপ পিছিয়ে দেয়। সবার আগে দেশকে গুরুত্ব দিয়ে শান্ত ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এই তরুণরা।
মানববন্ধনে কেবল রাজনীতির সংস্কার নয়, বরং সুশাসনের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে ‘দুর্নীতি নয়, সুশাসন চাই’ স্লোগান দিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার আহ্বান জানান। সেই সাথে সম্প্রতি বেড়ে চলা মব কালচারের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেন, ‘মব সন্ত্রাস নয়, আইনের শাসন চাই।’ তারা মনে করেন, আইনের শাসনই একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান স্তম্ভ, যা কোনোভাবেই ভেঙে পড়তে দেওয়া যাবে না।
দেশবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আয়োজক সংগঠনগুলো জানায়, দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের পবিত্র দায়িত্ব। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন কেবল জনদাবি নয়, বরং অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংঘাত ছেড়ে আলোচনার পথ বেছে নেয়, তবেই দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- তাশরীফের বাবার ১৭–১৮টি বিয়ের দাবি মায়ের