ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ-প্রিন্সিপাল খালেদা হাবিব স্মারক বক্তৃতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সোয়া ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের ‘স্পেশাল কনফারেন্স রুমে’ এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ স্মারক বক্তৃতায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা মোসাদ্দেক হাবিব স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁর জীবন ও কর্ম তুলে ধরেন।
মূল বক্তব্যে অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, আন্দোলনের প্রধান শক্তি ছিল নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা, তবে শিক্ষকেরা নৈতিক সমর্থন, প্রকাশ্য বিবৃতি, মানববন্ধন, মিছিল ও লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছেন। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের পাশে পেয়ে আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা পেয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষক সমাজের অবদান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখান থেকে অনুপ্রেরণা পাবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ ছিলেন একজন খ্যাতিমান লেখক ও সমাজ সংস্কারক। মুসলিম সমাজের শিক্ষাবিস্তারে তাঁর অবদান অসামান্য। তাঁর লেখা ‘বাতায়ন’ গ্রন্থটি সমকালীন মুসলিম সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার বলেন, অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদের উপস্থাপিত গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ জুলাই আন্দোলনের ইতিহাসকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল বাস্তব ও তাৎপর্যপূর্ণ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ এ অঞ্চলের মুসলিম সমাজের শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট ফান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও স্মারক আয়োজনকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে এবং সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি