ঢাকা, রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ-প্রিন্সিপাল খালেদা হাবিব স্মারক বক্তৃতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সোয়া ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের ‘স্পেশাল কনফারেন্স রুমে’ এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ স্মারক বক্তৃতায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা মোসাদ্দেক হাবিব স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁর জীবন ও কর্ম তুলে ধরেন।
মূল বক্তব্যে অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, আন্দোলনের প্রধান শক্তি ছিল নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা, তবে শিক্ষকেরা নৈতিক সমর্থন, প্রকাশ্য বিবৃতি, মানববন্ধন, মিছিল ও লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছেন। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের পাশে পেয়ে আন্দোলনে নতুন উদ্দীপনা পেয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষক সমাজের অবদান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখান থেকে অনুপ্রেরণা পাবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ ছিলেন একজন খ্যাতিমান লেখক ও সমাজ সংস্কারক। মুসলিম সমাজের শিক্ষাবিস্তারে তাঁর অবদান অসামান্য। তাঁর লেখা ‘বাতায়ন’ গ্রন্থটি সমকালীন মুসলিম সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার বলেন, অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদের উপস্থাপিত গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ জুলাই আন্দোলনের ইতিহাসকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল বাস্তব ও তাৎপর্যপূর্ণ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ এ অঞ্চলের মুসলিম সমাজের শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট ফান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও স্মারক আয়োজনকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে এবং সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ-জেনে নিন ফলাফল
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- গান-কবিতায় প্রাণবন্ত ডুপডা’র বৈশাখ উৎসব
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র: দেখে নিন কোন নম্বরগুলো জিতল
- শিক্ষাবৃত্তি দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট, আবেদন শুরু
- বিকালে আসছে ৫৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- নতুন ট্রেন্ড: ক্রেয়ন স্টাইলে প্রোফাইল ছবি বানাবেন যেভাবে
- আর্থিক প্রতিবেদনে নয়ছয়: ৩ অডিট ফার্ম ও ৪ অডিটর নিষিদ্ধ
- জাপানের মেক্সট স্কলারশিপে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন শুরু