ঢাকা, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া প্ররোচনা মামলায় শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের স্বার্থে তাকে আপাতত জেল হাজতে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন আদালতে এ আবেদন করেন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়নি। সকালে তাকে সিএমএম হাজতখানায় রাখা হয় এবং রিমান্ডের আবেদন না থাকায় আদালতে তোলা হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করে দাবি করেন, সুদীপ চক্রবর্তী একজন সুনামধন্য শিক্ষক এবং তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, তাকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে জানায়, আত্মহত্যার ঘটনায় আসামির সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে এবং আসামির পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর সঙ্গে আসামির ভিডিও কলে কথা হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ওই কথোপকথনের প্রেক্ষিতেই তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে, রবিবার ভোরে উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে একই দিন বিকেলে রাজধানীর উদয় ম্যানসন এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমাতেন। কিন্তু ঘটনার দিন ফজরের আজানের পর দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। একাধিকবার ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে সহপাঠীরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে পাওয়া একটি সুইসাইড নোটে সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেক ছাত্রীর নাম উল্লেখ থাকায় পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা নোটে লেখা ছিল ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে... (সহপাঠী) আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া...।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, মৃত্যুর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে কলাভবনের ৬০১ নম্বর কক্ষে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান ভুক্তভোগী। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা।
ঘটনাটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে, আর পুরো বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ অক্টোবর)
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের নামাজের সময়সূচি (২৬ অক্টোবর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- আনসার-ভিডিপিতে ২২৮ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- সেনাবাহিনীতে সফটওয়্যার প্রোগ্রামার পদে নিয়োগ, বেতন ৫০ হাজার টাকা
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড