ঢাকা, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

৪৯তম বিশেষ বিসিএস উত্তীর্ণদের ফের ভেরিফিকেশন হতে পারে

২০২৬ জুন ০৭ ১৭:৩৫:৩১

৪৯তম বিশেষ বিসিএস উত্তীর্ণদের ফের ভেরিফিকেশন হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৪৯তম (বিশেষ) বিসিএসে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগের আগে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবারও ভেরিফিকেশনের আওতায় আনা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে বলে জানা গেছে।

গত বছরের ১১ অক্টোবর শিক্ষা ক্যাডারের জন্য অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে ৬৬৮ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে সুপারিশ প্রকাশের প্রায় সাত মাস পার হলেও এখনো যোগদানের সুযোগ পাননি নির্বাচিত প্রার্থীরা। দীর্ঘসূত্রতায় তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

পিএসসির সূত্র জানিয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্তদের কাছ থেকে দুই দফায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া প্রথম দফার কাগজপত্র পুলিশের একটি সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করা হয়। পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর দ্বিতীয় দফায় আবারও প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হয়। দ্বিতীয় দফার এ কার্যক্রম শেষ হয়েছে প্রায় দেড় মাস আগে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিএসসির এক কর্মকর্তা রবিবার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষক সংকট বিবেচনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় এখনো প্রার্থীদের যোগদান সম্ভব হয়নি। তার ভাষ্য, প্রার্থীদের পুনরায় এনএসআইয়ের মাধ্যমে যাচাই করা হতে পারে বলে তারা জেনেছেন।

কবে নাগাদ যোগদানের নির্দেশনা জারি হতে পারে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, দুই দফায় প্রার্থীদের তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। তবে নিয়োগ ও যোগদানের সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ই জানাতে পারবে।

এ বিষয়ে জানতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (মাঠ প্রশাসন, অভ্যন্তরীণ ও নব নিয়োগ) আবুল হায়াত মো. রফিকও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে সাময়িকভাবে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। শিক্ষা ক্যাডারের জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত এ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ২১ জুলাই।

পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, এই বিসিএসে অংশ নিতে ৩ লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। এমসিকিউভিত্তিক লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ২১৯ জন। এখন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নজর রয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের কমেছেসোনার দাম

ফের কমেছেসোনার দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির প্রভাবে আবারও সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে... বিস্তারিত