ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ফের বাংলাদেশিদের জন্য খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী ২১ জুন দুই দিনের সফরে কুয়ালালামপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সফরকে ঘিরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে পারে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া সফর শেষে ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফরে যাবেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের জট খোলার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফর শেষ করে আসা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও শিগগিরই বাজারটি খোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১০টি বাধ্যতামূলক শর্তের ভিত্তিতে কর্মী পাঠাতে সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা চেয়েছিল। বাংলাদেশের আপত্তির মুখে তিনটি শর্ত শিথিল করার পর বর্তমানে সরকার অনুমোদিত ২,৫০০ এজেন্সির মধ্য থেকে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির একটি তালিকা মালয়েশিয়া সরকারকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
২০২২ সালে শ্রমবাজার চালু হওয়ার পর ১০০টি এজেন্সির একটি সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি নির্ধারিত ৭৯ হাজার টাকার পরিবর্তে একজন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় যেতে প্রায় ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হয়েছিল। এদিকে দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে নেপাল, ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের মতো দেশগুলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।
সিন্ডিকেটবিরোধী অবস্থানের কথা জানিয়ে সম্প্রতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি যতদিন মন্ত্রী থাকবো, কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না। যদি সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে আমি চলে যাবো।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১০ দিন থেকে এক মাসের মধ্যে এ সংকটের একটি ইতিবাচক ও স্পষ্ট সমাধান দেখা যাবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব টিপু সুলতান বলেন, ভালো বেতন ও উন্নত কর্মপরিবেশের কারণে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কর্মীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য। তিনি মনে করেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের স্বার্থে শ্রমবাজারটি সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করা উচিত।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রবাসী কর্মীদের প্রত্যাশা, আগামী ২১ জুন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এমনটি হলে বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- পে-স্কেলের গেজেট কেন প্রকাশ হচ্ছে না, জানা গেল রহস্যময় তথ্য
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- দুই মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়াল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ সেপ্টেম্বর)
- সবজিতে স্বস্তি থাকলেও চাল-চিনি-আটা-দুধের দামে চাপে ক্রেতারা
- একাদশে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে কখন