ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মারা গেলেন পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাদির পারভেজ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটি পরিচিত নাম ও সাবেক ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.) রাজা নাদির পারভেজ আর নেই। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ফয়সালাবাদে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
রাজা নাদির পারভেজ ছিলেন পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতির একজন দীর্ঘদিনের সক্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা। তিনি ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি পানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সংসদীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞ এই নেতা বিভিন্ন সময়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
পাঁচবারের সংসদ সদস্য
রাজা নাদির পারভেজ মোট পাঁচবার পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (এমএনএ) সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে চারবার ফয়সালাবাদ এবং একবার রাওয়ালপিন্ডি থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি উভয় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং ইসলামী জামহুরি ইত্তেহাদ—এই তিনটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
শোক ও শ্রদ্ধা
তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, সংসদ সদস্য এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তাকে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও নিবেদিতপ্রাণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
রাজা নাদির পারভেজ খান ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ৬ পাঞ্জাব রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে নওয়াজ শরিফের দ্বিতীয় সরকারের সময় তিনি ফেডারেল মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।
সামরিক অঙ্গনের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিনি সাবেক কোয়েটা কোর কমান্ডার তারিক পারভেজের ভগ্নিপতি। প্রয়াত জেনারেল টিক্কা খান ১৯৬৫ সালের রান অব কচ্ছ সংঘর্ষে পাকিস্তানি বাহিনীর নেতৃত্বদানকারী রাজা নাদির পারভেজকে ‘সাহসী ও বীর সেনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। সে সময় একটি গোয়েন্দা অভিযানে ভারতীয় একটি টহলদল গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
বীরত্বের স্বীকৃতি
১৯৬৫ সালের যুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতার জন্য তিনি ‘সিতারা-ই-জুরাত’ খেতাবে ভূষিত হন। পরে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় ফতেহগড় কারাগার থেকে চার সহযোদ্ধাসহ দুঃসাহসিক পালানোর ঘটনার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো ‘সিতারা-ই-জুরাত’ লাভ করেন। এই বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতিও পান।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়ের মৃ’ত্যু
- সকালে না রাতে, কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো?
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- স্কলারশিপ দিচ্ছে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি
- স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজই
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী আর নেই