ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান! কার টাকা ফেরত মিলবে, কার মিলবে না?
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস মেলার পর, গত ১২ মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সভায় এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জুলাই মাস থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অবসায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে গণমাধ্যমে এই খবরটি এলেও শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানে না।
চূড়ান্তভাবে অবসায়নের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ফাস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এর মধ্যে আভিভা ফাইন্যান্স ছাড়া বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত।
বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই অবসায়ন প্রক্রিয়া যদি পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে হয়, তবে বিএসইসির কোনো আপত্তি নেই। যেহেতু সরকারের বাজেট থেকে অর্থ এনে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে, তাই এটি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষাই নিশ্চিত করবে। তবে বিএসইসি চায়, 'ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫'-এর ৭৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী অপরাধী বা দায়ী ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়, অর্থাৎ বাজারমূল্য ও ফেসভ্যালুর মধ্যে যেটি বেশি, তা যেন ফেরত দেওয়া হয়। তবে বিষয়টি এখনো বিএসইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অবসায়ন কার্যক্রম শুরুর আগে আমানতকারীদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল বা পরিশোধ স্কিম ঘোষণা করা হবে। এই স্কিমের আওতায় যেসব ক্ষুদ্র আমানতকারীর সঞ্চয়ের পরিমাণ ১০ লাখ টাকার মধ্যে, তারা তাদের মূলধনের পুরো টাকা ফেরত পাবেন, তবে কোনো সুদ দেওয়া হবে না। অন্যদিকে ১০ লাখ টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে তহবিলের প্রাপ্যতা ও জমার পরিমাণ বিবেচনা করে আনুপাতিক হারে পর্যায়ক্রমে অর্থ পরিশোধ করা হবে।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিএসইসি স্পষ্ট করে বলেছিল, এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান সংকটের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোনোভাবেই দায়ী নন। এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী 'ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫'-এর ধারা-৭৭ এ উল্লেখিত ব্যক্তিরা। তাই সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় অবসায়নের সব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা, ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ রাখা, দায়ী ব্যক্তিদের সম্পদ ও জামানত বাজেয়াপ্ত করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করা এবং শেয়ারের চূড়ান্ত মূল্য ঘোষণা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান অবসায়ন না করার দাবি জানিয়েছে বিএসইসি।
এমজে/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)