ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
এজেন্সি ছাড়াই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় নিজে আবেদন করবেন যেভাবে
পার্থ হক
রিপোর্টার
পার্থ হক: বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে অনেক শিক্ষার্থীই এই পথে যেতে গিয়ে বিভিন্ন কনসালটেন্সি ফার্ম বা এজেন্সির ওপর নির্ভর করেন এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। অথচ সঠিক তথ্য জানা থাকলে সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া নিজে নিজেই সম্পন্ন করা সম্ভব, যা একদিকে যেমন খরচ কমায়, অন্যদিকে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণাও দেয়।
আজকের প্রতিবেদনে জানানো হলো, কীভাবে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই নিজ উদ্যোগে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
১. দেশ ও বিষয় নির্বাচন
প্রথমেই ঠিক করতে হবে কোন দেশে এবং কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে চান। ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার লক্ষ্য ও আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে সম্ভাব্য দেশ ও কোর্সের একটি তালিকা তৈরি করা উচিত। এরপর গুগলসহ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে কোর্স, কারিকুলাম ও ভবিষ্যৎ সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন।
২. প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত
আবেদনের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে
অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট (সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত)
বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছরের মেয়াদ থাকা ভালো)
ভাষাগত দক্ষতার সনদ যেমন IELTS, TOEFL, Duolingo বা অনেক ক্ষেত্রে Medium of Instruction (MOI) সার্টিফিকেট
Statement of Purpose (SOP) এবং আপডেটেড Academic CV, যা ভর্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
৩. বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও আবেদন
কমপক্ষে ৫ থেকে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়া উচিত। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি, জীবনযাত্রার খরচ, আবেদন ডেডলাইন এবং স্কলারশিপ সুবিধা একটি তালিকায় রাখা ভালো। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে সরাসরি আবেদন করা যায়।
৪. অফার লেটার ও পরবর্তী ধাপ
আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Conditional বা Unconditional অফার লেটার প্রদান করা হয়। এরপর নির্ধারিত টিউশন ফি বা ডিপোজিট জমা দিলে প্রতিষ্ঠানটি CAS (যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে) বা সমমানের কনফার্মেশন লেটার ইস্যু করে।
৫. ভিসা আবেদন প্রস্তুতি
ভিসার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা হাই কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়। বিশেষ করে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন ফর্মে সব তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে দেওয়া আবশ্যক।
সবশেষে বলা যায়, নিজে নিজে আবেদন করলে শিক্ষার্থী নিজের প্রোফাইল অনুযায়ী সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার সুযোগ পান। এতে বাড়তি এজেন্সি খরচ এড়ানো সম্ভব হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- বৈশাখী ভাতা নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল মাউশি
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ
- ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে প্রবাসীদের উৎসাহের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি
- উপাচার্য সংকটে দেশের ৩১ বিশ্ববিদ্যালয়, তালিকা দেখুন এখানে
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন রুমিন ফারহানা
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি