ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এজেন্সি ছাড়াই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় নিজে আবেদন করবেন যেভাবে
পার্থ হক
রিপোর্টার
পার্থ হক: বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে অনেক শিক্ষার্থীই এই পথে যেতে গিয়ে বিভিন্ন কনসালটেন্সি ফার্ম বা এজেন্সির ওপর নির্ভর করেন এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। অথচ সঠিক তথ্য জানা থাকলে সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া নিজে নিজেই সম্পন্ন করা সম্ভব, যা একদিকে যেমন খরচ কমায়, অন্যদিকে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণাও দেয়।
আজকের প্রতিবেদনে জানানো হলো, কীভাবে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই নিজ উদ্যোগে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
১. দেশ ও বিষয় নির্বাচন
প্রথমেই ঠিক করতে হবে কোন দেশে এবং কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে চান। ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার লক্ষ্য ও আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে সম্ভাব্য দেশ ও কোর্সের একটি তালিকা তৈরি করা উচিত। এরপর গুগলসহ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে কোর্স, কারিকুলাম ও ভবিষ্যৎ সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন।
২. প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত
আবেদনের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে
অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট (সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত)
বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছরের মেয়াদ থাকা ভালো)
ভাষাগত দক্ষতার সনদ যেমন IELTS, TOEFL, Duolingo বা অনেক ক্ষেত্রে Medium of Instruction (MOI) সার্টিফিকেট
Statement of Purpose (SOP) এবং আপডেটেড Academic CV, যা ভর্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
৩. বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও আবেদন
কমপক্ষে ৫ থেকে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়া উচিত। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি, জীবনযাত্রার খরচ, আবেদন ডেডলাইন এবং স্কলারশিপ সুবিধা একটি তালিকায় রাখা ভালো। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে সরাসরি আবেদন করা যায়।
৪. অফার লেটার ও পরবর্তী ধাপ
আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Conditional বা Unconditional অফার লেটার প্রদান করা হয়। এরপর নির্ধারিত টিউশন ফি বা ডিপোজিট জমা দিলে প্রতিষ্ঠানটি CAS (যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে) বা সমমানের কনফার্মেশন লেটার ইস্যু করে।
৫. ভিসা আবেদন প্রস্তুতি
ভিসার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা হাই কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়। বিশেষ করে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন ফর্মে সব তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে দেওয়া আবশ্যক।
সবশেষে বলা যায়, নিজে নিজে আবেদন করলে শিক্ষার্থী নিজের প্রোফাইল অনুযায়ী সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার সুযোগ পান। এতে বাড়তি এজেন্সি খরচ এড়ানো সম্ভব হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- ঈদের চামড়া বিক্রিতে হতাশ বিক্রেতারা