ঢাকা, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
মার্জিন ঋণে নয়ছয়: ৭ ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে তদন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাতটি সদস্য ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষ পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। মার্জিন ঋণ বিতরণে বিধি লঙ্ঘনসহ নানা অসংগতির খবর আসায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের তালিকায় থাকা এসব প্রতিষ্ঠানে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ত্রুটি ও আর্থিক স্বচ্ছতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে। বিএসইসি ডিএসই কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে, যেন সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রতিটি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ সম্প্রতি ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (সিআরও) কাছে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।
তদন্তের আওতায় থাকা ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ (ট্রেক নং-১৫৬), জেকেসি সিকিউরিটিজ (ট্রেক নং-১৭৯), আহমেদ ইকবাল হাসান সিকিউরিটিজ (ট্রেক নং-১১৪), মার্চেন্ট সিকিউরিটিজ (ট্রেক নং-১৬৯), গ্লোব ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ফিনটেক কোম্পানি (ট্রেক নং-১৮৯), শেলটেক ব্রোকারেজ (ট্রেক নং-১২০) এবং কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন (ট্রেক নং-১৮০)।
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ ডিএসই থেকে বিএসইসিতে পাঠানো চিঠিতে এই হাউজগুলোর নিবন্ধন সনদ নবায়ন এবং মার্জিন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নানা অসঙ্গতির কথা জানানো হয়েছিল। মূলত ডিএসইর প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতেই কমিশন এখন গভীরতর তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পরিদর্শনের সময় কেবল মার্জিন ঋণের অনিয়মই নয়, বরং অন্য কোনো আইনগত বা আর্থিক অসংগতি ধরা পড়লে সেটিও প্রতিবেদনে যুক্ত করার জন্য কমিশন থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন চায় প্রতিটি হাউজ যেন তাদের ক্যাশ হ্যান্ডলিং ও শেয়ার কেনাবেচায় শতভাগ স্বচ্ছ থাকে।
বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জমা দেওয়া নথিপত্রে দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলো ১৯৯৯ সালের মার্জিন রুল এবং ২০২২ সালের মে মাসে জারি করা নতুন নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালন করছে না। ফলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০-এর বিধি অনুযায়ী এই তদন্ত শুরু হচ্ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চলতি অর্থবছর-এর শেষ দিকে এসে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই কঠোর অবস্থান বাজারের দীর্ঘমেয়াদী শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তা ও আস্থা পুনরুদ্ধারে এ ধরনের শুদ্ধি অভিযান অত্যন্ত জরুরি ছিল।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ: জেনে নিন কবে, কোথায় খেলা
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল, লাইভ দেখবেন যেভাবে
- আর্জেন্টিনা বনাম জাম্বিয়া: কবে, কখন জানুন সময়সূচী
- বাংলাদেশ বনাম সিঙ্গাপুর ম্যাচ: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ আজকের খেলা
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ: নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
- আজ বাংলাদেশ বনাম নেপাল সাফ সেমি ফাইনাল: সরাসরি লাইভ দেখবেন যেভাবে
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: নেপালের মুখোমুখি বাংলাদেশ, জেনে নিন কবে, কোথায় খেলা
- ঢাবি চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু
- রাজধানীতে ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
- বাংলাদেশ বনাম থাইল্যান্ড ম্যাচ: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ আজকের খেলা
- অনলাইন ক্লাস ও হোম অফিস নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে? যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ এপ্রিল)
- শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিকল্প পথ খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- স্বামীর ছবি শেয়ার করলেন সিমরিন লুবাবা