ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আজ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক

২০২৬ মে ২১ ১১:৩৪:৪০

আজ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক: গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে নতুন সমঝোতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ ও ভারত। এ লক্ষ্যেই কলকাতায় শুরু হচ্ছে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) গুরুত্বপূর্ণ ৯০তম বৈঠক।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) শুরু হওয়া এ বৈঠক আগামী শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত চলবে। তিনদিনব্যাপী এই আলোচনায় দুই দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও আন্তঃসীমান্ত নদীসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসবে বলে জানা গেছে।

বৈঠকে অংশ নিতে বুধবার (২০ মে) কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন— বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, জেআরসির পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান।

এছাড়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দও বৈঠকে যোগ দেবেন।

ভারতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের এক প্রধান প্রকৌশলীর।

এবারের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।

বৈঠকের প্রথম দিন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদ সফর করবেন। সেখানে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গার পানিপ্রবাহ পরিমাপের কাজ করবেন তারা। পরে কলকাতায় ফিরে মূল বৈঠকে অংশ নেবেন।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক পানি এবং বাকি অংশ পাবে বাংলাদেশ। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে ভারত। আর প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগাভাগি করবে।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত