ঢাকা, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজপথে জামায়াতের মহিলা বিভাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে নারী ও শিশুদের ওপর চলমান নৃশংসতা ও নিরাপত্তাহীনতাকে একটি সভ্য রাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জাজনক হিসেবে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। ঘরে-বাইরে কোথাও এখন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই এমন অভিযোগ তুলে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রকে তার সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের জোরালো তাগিদ দিয়েছেন। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মুছাম্মত রুকসিনা সিদ্দিকা প্রশাসনের নির্লিপ্ততাকে দায়ী করে বলেন, ‘যদি পূর্ববর্তী রায়গুলো সঠিকভাবে কার্যকর হতো, তবে তাহিয়া আমিনা বা অন্যান্য নারী ও শিশুদের জীবন দিতে হতো না। আইন কেবল কিতাবে বা বইয়ে থাকলেই হবে না, বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ না থাকলে সেই আইনের কোনো মূল্য নেই।’ তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের জানমাল হেফাজত করা সরকারের দায়িত্ব এবং এই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার দায় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।
পবিত্র রমজান মাসেও নারীদের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হওয়াকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আমেনা বেগম। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগের সাথে তুলনা করে বলেন, ‘যেখানে রমজান মাস আমাদের জন্য শান্তি সুরক্ষার মাস সেখানে আমাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে। সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে। শিশু নারীদের নির্যাতন বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আজকে দেখতে পাচ্ছি আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের মতো নব্য আইয়ামে জাহেলিয়া। যেখানে শিশুদের ওপর জাহেলিয়াত যুগের ন্যায় অত্যাচার করা হচ্ছে।’
মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় নেত্রী মার্জিয়া বেগম বলেন, প্রতিদিন সংবাদপত্র খুললেই ধর্ষণ ও হত্যার খবর জাতিকে গভীরভাবে বিচলিত ও উদ্বিগ্ন করে তুলছে। এসব অপরাধ দমনে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনের মানবসম্পদ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. সাকিবুন্নাহার মুন্নী, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জান্নাতুল কারীম এবং উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি আমেনা বেগমসহ আরও অনেক নারী নেতৃবৃন্দ এই প্রতিবাদী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত এ দেশের প্রতিটি নারী ও শিশু নিরাপদ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন ও সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে প্রবাসীদের উৎসাহের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- ঋণ জটিলতা ও লোকসানের পাহাড়, তবুও রহস্যজনকভাবে বাড়ছে কোম্পানির শেয়ারদর
- আগের মালিকদের হাতে ফিরছে একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক