ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ঈদের পর সবজির বাজারে স্বস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের পর রাজধানীর কাঁচাবাজারে বেশিরভাগ সবজির দামে স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বাড়ায় বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে এখনো তেমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়নি।
শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের আগে বাড়তি চাহিদা ও পরিবহন সংকটের কারণে অনেক পণ্যের দাম বেড়েছিল। বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় সবজির দাম কমতে শুরু করেছে।
যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, কচুর চারা ৭০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া লেবু প্রতি হালি ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, ঈদের আগের তুলনায় এসব সবজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
শনিরআখড়া কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আরিফ হোসেন বলেন, কয়েকদিন আগেও অনেক সবজির দাম বর্তমানের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি ছিল। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়মিত পণ্য আসায় বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। সরবরাহের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহে আরও কিছু সবজির দাম কমতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে মাছের বাজারে দাম এখনো উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় মাছের দাম কমানোর সুযোগ সীমিত।
ডিমের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন নেই। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং দেশি ডিম ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির ঈদের পর মাংসের বিক্রি কিছুটা কমেছে।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্যের কারণে সামগ্রিকভাবে সংসারের ব্যয় খুব বেশি কমেনি।
ক্রেতা মামুন বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজি কিনতে বাড়তি খরচ হচ্ছিল। এখন দাম কমায় কিছুটা সুবিধা হচ্ছে। তবে মাছ, ডিম ও মাংসের দাম এখনও অনেকের নাগালের বাইরে।
আরেক ক্রেতা আফিয়া জানান, সবজির বাজারে স্বস্তি এলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দাম কমেনি। ফলে পরিবারের মাসিক খরচে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মৌসুমি সবজির সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পেলে বাজারে দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে মাছ, ডিম ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে উৎপাদন খরচ কমানো এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ
- পে-স্কেলের গেজেট কেন প্রকাশ হচ্ছে না, জানা গেল রহস্যময় তথ্য
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ সেপ্টেম্বর)
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- রোববার বিদ্যুৎ থাকবে না অর্ধশতাধিক এলাকায়
- একাদশে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে কখন
- পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে যা বলছেন কর্মকর্তারা