ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যেসব খাবার
ডুয়া ডেস্ক: আমরা প্রায়শই যে খাবারগুলোকে স্বাস্থ্যকর মনে করি, সব সময় কিডনির জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। কিডনির সুস্থতার জন্য সাধারণত লবণ কমানো, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়ানোর কথা মনে করা হয়। তবে আশ্চর্যজনক দিক হলো কিছু খাবার, যা আমরা সুপারফুড বা পুষ্টিকর মনে করি, তা কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষতি করতে পারে।
কিডনি মূলত রক্ত পরিষ্কার করে, বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে, খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত প্রোটিন, পটাসিয়াম, ফসফরাস বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত গ্রহণ কিডনিকে চাপ দিতে পারে। প্রাথমিকভাবে কোনো লক্ষণ না দেখা গেলেও বছরের পর বছর নীরবে ক্ষতি হতে পারে। নিচে এমন কিছু খাবারের তালিকা দেয়া হলো, যা কিডনির ওপর গোপনে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
চর্বিহীন মাংস ও প্রোটিন সাপ্লিমেন্টপেশী তৈরি ও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার জন্য প্রোটিন উপকারী। তবে বর্তমান ফিটনেস ট্রেন্ডে প্রোটিনকে প্রতিটি খাবারের মূল উপাদান হিসেবে নেওয়া হয়—শেক, প্রোটিন বার, চর্বিহীন মুরগির মাংস, ডিম, মাছ ও পনির। প্রোটিন ভেঙে যাওয়া বর্জ্য পদার্থ অপসারণের জন্য কিডনিকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। সুস্থ কিডনির জন্য পরিমিত প্রোটিন ঠিক আছে, কিন্তু কিডনিতে সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত প্রোটিন ক্ষতি বাড়াতে পারে।
পালং শাক, বিট ও মিষ্টি আলু: ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই সবজি সুপারস্টার হলেও এতে উচ্চ অক্সালেট থাকে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এগুলো বিপজ্জনক হতে পারে। প্রতিদিন পালং শাকের স্মুদি খাওয়া কিডনির পাথর তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।
কলা, কমলা ও অন্যান্য উচ্চ-পটাসিয়ামযুক্ত ফল: কল, কমলা, কিউই, অ্যাভোকাডো, কিশমিশ ও শুকনো এপ্রিকটের মতো ফলের পটাসিয়াম বেশি। সাধারণ কিডনি এটি ভারসাম্য রাখে, কিন্তু কিডনিতে সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পটাসিয়াম হৃদস্পন্দন প্রভাবিত করতে পারে।
ডাবের পানি: ডাবের পানি প্রাকৃতিক, হাইড্রেটিং এবং ব্যায়ামের পরে কার্যকর। তবে দিনে দিনে বেশি ডাবের পানি পান করলে, বিশেষ করে কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে।
দুধ, পনির ও দই: দুগ্ধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে, তবে ফসফরাসও বেশি থাকে। কিডনি ঠিকমত ফিল্টার করতে না পারলে উচ্চ ফসফরাস হাড় দুর্বল এবং ধীরে ধীরে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বাদাম ও বীজ: বাদাম ও বীজ পুষ্টিকর হলেও এতে ফসফরাস ও অক্সালেট বেশি থাকে। কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বা সমস্যা থাকলে এগুলো কম উপকারী। তবে সূর্যমুখী বীজ, কুমড়োর বীজ ও আখরোট তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ।
আচার, কিমচি ও গাঁজানো খাবার: গাঁজানো খাবার অন্ত্রের জন্য ভালো হলেও এতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত লবণ কিডনিতে চাপ বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ বাড়ায়। মাঝেমাঝে অল্প খেলে সমস্যা নেই, তবে বেশি খেলে বিপদ তৈরি হতে পারে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- কানাডা বনাম বসনিয়ার ম্যাচ চলছে: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা-সরাসরি দেখুন (LIVE)
- আর্জেন্টিনা বনাম আইসল্যান্ড ম্যাচ লাইভ দেখবেন যেভাবে
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস উত্তীর্ণদের ফের ভেরিফিকেশন হতে পারে
- বুধবার থেকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদন শুরু
- নিরাপত্তার কারণে বন্ধ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ
- চার দশক পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
- সংসদে নবম পে-স্কেল ঘোষণা, প্রতিক্রিয়া জানালেন কর্মচারীরা
- অসচ্ছল মেধাবীদের বৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
- ফের বাংলাদেশিদের জন্য খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
- ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- ‘বাবার দোয়া’ ক্রিকেট বোর্ডকে বদলাতে চান তামিম ইকবাল
- বাজেটে কোন খাতে কত বরাদ্দ, বিস্তারিত জানুন
- সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ৫০ শতাংশ বাড়ছে
- ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ