ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ঢাবি ছাত্রশক্তির নেতার বাড়িতে হামলা ও আগুন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি’ এমন দাবি করে পোস্ট দেওয়ার কয়েকদিন পরই তার ময়মনসিংহের গ্রামবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের শিকার ওই ছাত্রনেতা মো. সাইফুল্লাহ। তিনি হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানায়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার বিষয়টি জানান সাইফুল্লাহ।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইন্না-লিল্লাহ, সন্ত্রাসীরা আমার বাড়িতে হামলা ও আগুন দিয়েছে। আম্মা ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করতেছে।’
এর আগে গত রবিবার (৮ মার্চ) রাতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, রাহিদ খান পাভেল নামে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে মারধর করার পর শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার সময় সাইফুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি। শাহবাগ থানায় নিয়ে যাচ্ছি। লীগ প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
এদিকে রাহিদ খান পাভেল দাবি করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা তাকে মারধর করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র।
গণমাধ্যমকে রাহিদ বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় জড়িত ছিলেন।
তবে এ বিষয়ে সাইফুল্লাহ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় রাহিদ একজন হামলাকারী ছিল। বিভাগ আর হল দুই জায়গা থেকে ওকে বয়কট করা হয়। এর আগেও শিক্ষার্থীরা ওকে আটক করে থানায় দিয়েছিল। ক্যাম্পাসে আর আসবে না, এ শর্তে রাহিদের মা-বাবা নিয়ে গিয়েছিল।’
রাহিদ সাম্প্রতিক সময়ে আবারও ক্যাম্পাসে আসছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। সাইফুল্লাহর ভাষ্য, ‘ইদানীং সে (রাহিদ) ক্যাম্পাসে এসে সাবেক ছাত্রলীগারদের নিয়ে ইফতার মাহফিল করে, প্রোগ্রাম করে। সে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের পোস্টারিং করে। ওকে ধরার পর ফোন চেক করতে গেলে, উল্টো সে রিঅ্যাক্ট করে। পরে আটক করে থানায় দেওয়া হয়।’
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- ১১-২০ গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ছে
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- নতুন পে-স্কেলে মোবাইল ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, কোন গ্রেডে কত?
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)
- বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ৬১৮ প্রভাষকের চাকরি স্থায়ীকরণ
- নারী এশিয়া কাপ সেমিফাইনাল: কবে, কখন কোন দলের ম্যাচ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- বুটেক্সে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মাহমুদা মিতু