ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
টেন্ডার প্রাপ্তির খবরে শেয়ারের বিক্রেতা নিখোঁজ!
আবু তাহের নয়ন:
সিনিয়র রিপোর্টার
আবু তাহের নয়ন: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আগেরদিন মঙ্গলবার একটি টেন্ডারের অনুমোদন পেয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) তাদের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) এবং পলিথিন (পিই) ব্যাগ সরাসরি মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে ক্রয় করবে। এই অনুমোদন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মতিক্রমে প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগেরদিন মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিসিআইসি'র মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মোঃ সাইফুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। এর উপর মঙ্গলবারই ডুয়া নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি কোম্পানি আজ স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে।
বিসিআইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তবে অনুমোদনের সঙ্গে একটি শর্তও রয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ চাহিদা অনুযায়ী ব্যাগ সরবরাহে ব্যর্থ হয়, তবে বিসিআইসি বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করার অধিকার রাখে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই শর্ত নিশ্চিত করার মাধ্যমে সময়মতো সরবরাহ বজায় রাখার লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে।
বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য ব্যবসায়িক সাফল্যের বড় মাইলফলক। অনুমোদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি বিসিআইসি তাদের প্যাকেজিং সামগ্রীর জন্য নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী নিশ্চিত করতে পারছে।
টেন্ডার প্রাপ্তির খবর প্রকাশের পর আজ বুধবার ডিএসইতে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। লেনদেন শুরুতেই ক্রেতাদের আগ্রহের চাপে শেয়ারটি হল্টেড হয়ে যায়। শেয়ারটির দাম আজ ৩ টাকা বা ৯.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩০.৯০ টাকা থেকে ৩৩.৯০ টাকায় পৌঁছে যায়।
আগের দিন শেয়ারটির লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ২ হাজারের বেশি। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৮ হাজারের কম শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এই সময়ে ডিএসইতে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ক্রেতা শেয়ারটি কিনতে চেয়েছেন। কিন্তু বিক্রেতাদের নিখোঁজের কারণে লেনদেন শেয়ারটির লেনদেন হচ্ছে না। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে এই চাহিদা মূলত সরকারি অনুমোদন এবং বড় টেন্ডার প্রাপ্তির খবরের কারণে তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ ২০২৪ সালে কোম্পানিটি ‘নো ডিভিডেন্ড’ দিয়েছে। সমাপ্ত অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই’২৪-মার্চ’২৫) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি