ঢাকা, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২
নেপালের অস্থিতিশীলতায় মোদির কপালে চিন্তার ছাপ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালে চলমান সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী এই দেশের স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সমৃদ্ধি ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি নেপালের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে মোদি বলেন, নেপালে সহিংস বিক্ষোভে বহু তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন—যা হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন।
এসময় মোদি জানান, নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি জরুরি বৈঠকে বসবে। পাঞ্জাব ও হিমাচল প্রদেশে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি নেপাল প্রসঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে সোমবার নেপালে হাজারো বিক্ষোভকারী সংসদ ভবনে হামলার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ২০ জন নিহত হন। পরে আরও কয়েকটি সংঘর্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২-এ। শত শত মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এদিকে, সহিংসতার চরম পরিস্থিতির মধ্যে মঙ্গলবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেলের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, সাংবিধানিকভাবে রাজনৈতিক সমাধানের পথ সুগম করার জন্য তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বিক্ষোভকারীরা রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন ধরিয়ে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও রাজনীতিবিদদের বাড়িঘরে হামলা চালান। প্রধানমন্ত্রী অলির সরকারি বাসভবন ও প্রশাসনিক ভবনের কিছু অংশেও অগ্নিসংযোগ হয়। ভারী ধোঁয়ার কারণে সাময়িক সময়ের জন্য ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়।
‘জেন-জি আন্দোলন’ নামে পরিচিত এই বিক্ষোভে তরুণরা সরকারের দুর্নীতি, বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের অভাবের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছেন। আন্দোলনের নেতারা সহিংসতা বন্ধ করে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০০৮ সালে রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পর থেকে নেপালে ধারাবাহিক রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। গত ১৭ বছরে দেশটিতে ১৪টি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তবে কেউই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেনি। ভারতের জন্য নেপালের এই অস্থিতিশীলতা কৌশলগতভাবে বড় উদ্বেগের বিষয়, বিশেষ করে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে।
এমজে
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে গোল্ডেন সন