ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
নির্বাচনে গুজব মোকাবিলায় ‘ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার’ গঠনের সিদ্ধান্ত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি উচ্চ-পর্যায়ের নিরাপত্তা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় জোরদার করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছড়ানো গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে একটি ‘ন্যাশনাল ইনফোকমেশন সেন্টার’ স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শফিকুল আলম জানান, এটি ছিল নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিতীয় সমন্বয় সভা। বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার ওপর। তিনি বলেন, "বৈঠকে প্রথমে আলোচনা হয়েছে কো-অর্ডিনেশন বা সমন্বয় নিয়ে। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে লোকাল ও ন্যাশনাল—উভয় পর্যায়েই দ্রুততার সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য বারবার জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।"
নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ বাহিনীকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রেস সচিব জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বৈঠকে অবহিত করেছেন যে, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আগামী সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস জুড়ে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণে নির্বাচনী আইন, আচরণবিধি, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটারদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গুজব ও অপপ্রচার মোকাবিলায় ‘ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার’
নির্বাচনকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গুজব ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সরকার। এই ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, "নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রচুর ভুল তথ্য (মিস-ইনফরমেশন) ছড়িয়ে পড়েছে এবং ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়তে পারে। এটি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য একটি ‘ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটি সার্বক্ষণিকভাবে গুজব ও অপপ্রচার শনাক্ত করবে, সঠিক তথ্য যাচাই করবে এবং জনগণের কাছে সত্য তথ্য পৌঁছে দেবে। এ বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয়েছে।"
এই সভা প্রমাণ করে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি