ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
রাতে ব্যবহার না করলেও ফোনের চার্জ কমে যায় কেন? কারণ জানুন
ডুয়া ডেস্ক: রাতে ঘুমানোর আগে ফোনে পর্যাপ্ত চার্জ ছিল। কিন্তু সকালে উঠে দেখা গেল, ব্যবহার না করার পরও ব্যাটারির চার্জ ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমে গেছে। অনেকেই এ ধরনের সমস্যার জন্য ব্যাটারির ত্রুটিকে দায়ী করেন। তবে বাস্তবে ফোনের পর্দা বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন সিস্টেম ও অ্যাপের কার্যক্রমের কারণে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমতে পারে।
তাই রাতে ব্যাটারির চার্জ অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন সেটিংস পরিবর্তন না করে আগে সমস্যার উৎস শনাক্ত করা জরুরি। আইফোন ব্যবহারকারীরা Settings > Battery এবং অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা Settings > Battery অপশনে গিয়ে Battery Usage মেনু থেকে কোন অ্যাপ বা সেবা সবচেয়ে বেশি চার্জ ব্যবহার করছে, তা সহজেই দেখতে পারবেন।
রাতে ফোনের ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়ার সাধারণ কয়েকটি কারণ ও সেগুলোর সমাধান নিচে তুলে ধরা হলো-
১. দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্ক
মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকলে ফোন বারবার শক্তিশালী সিগন্যালের সন্ধান করতে থাকে। এই ধারাবাহিক অনুসন্ধানের কারণে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে। রাতে ফোন ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকলে এরোপ্লেন মোড চালু রাখা এবং ওয়াই-ফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে এ সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
২. ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপ চালু থাকা
কোনো অ্যাপ বন্ধ করলেই তার সব কার্যক্রম বন্ধ হয় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, স্বাস্থ্যসেবা বা কেনাকাটার অনেক অ্যাপ নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করতে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যাটারির চার্জ খরচ হয়। ব্যাটারি ব্যবহারের তালিকা দেখে যেসব অ্যাপ অস্বাভাবিকভাবে বেশি চার্জ ব্যবহার করছে, সেগুলোর অনুমতি সীমিত করলে চার্জের অপচয় কমবে।
৩. অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ
অনেক অ্যাপ প্রয়োজন না থাকলেও ব্যবহারকারীর অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। এতে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। যেসব অ্যাপের জন্য অবস্থান জানা জরুরি নয়, সেগুলোর লোকেশন অনুমতি বন্ধ রাখা উচিত। আর প্রয়োজনীয় অ্যাপের ক্ষেত্রে Always-এর পরিবর্তে While Using the App অনুমতি নির্বাচন করলে ব্যাটারির খরচ কম হবে।
৪. অতিরিক্ত নোটিফিকেশন
প্রতিটি নোটিফিকেশন ফোনের প্রসেসর, নেটওয়ার্ক এবং অনেক ক্ষেত্রে পর্দার একটি অংশ সক্রিয় করে। ফলে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমতে থাকে। অপ্রয়োজনীয় বা কম ব্যবহৃত অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ানো সম্ভব।
৫. অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে
অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে চালু থাকলে ফোনের পর্দার কিছু অংশ সব সময় সক্রিয় থাকে। যদিও এটি তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তবে দীর্ঘ সময় চালু থাকলে অতিরিক্ত চার্জ খরচ হয়। তাই রাতে এই সুবিধা বন্ধ রাখা ভালো।
৬. সফটওয়্যার হালনাগাদ
নতুন সফটওয়্যার হালনাগাদের পর ফোন কিছু সময় তথ্য সাজানো, ফাইল অপ্টিমাইজসহ বিভিন্ন কাজ করে। এ সময় সাময়িকভাবে ব্যাটারির ব্যবহার বেড়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে পুরোনো সংস্করণের অ্যাপও অনেক সময় অস্বাভাবিকভাবে চার্জ ব্যবহার করে। তাই অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন।
৭. ব্যাটারির ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ ধারণক্ষমতা কমে যায়। অতিরিক্ত তাপও এই প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে। ফোন অস্বাভাবিক গরম হওয়া এবং ব্যাটারির ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনুমোদিত সেবা কেন্দ্রে ব্যাটারির অবস্থা পরীক্ষা করানো উচিত।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্বের ফল প্রকাশ
- মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাইয়ের বেতন ফাইল চূড়ান্ত
- এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন করবেন যেভাবে
- মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৯ আগস্ট)
- দাখিল ও কারিগরি বোর্ডের ফল দেখবেন যেভাবে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ আগস্ট)
- পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ করার পর শিক্ষার্থীদের করণীয় কী
- একাদশে ভর্তি: আবেদন ও প্রক্রিয়া জানুন
- ১৯তম নিবন্ধন থেকে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করবে না এনটিআরসিএ
- পাঁচ দপ্তরে নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার
- পিএসসিতে আরও চার সদস্য নিয়োগ
- এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- যেভাবে সহজে অনলাইনে দেখবেন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ আগস্ট)