ঢাকা, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
স্মার্টফোন স্লো হয়ে গেছে? জেনে নিন সমাধান
ডুয়া ডেস্ক: পুরোনো স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে গতি কমে যাওয়া কিংবা মাঝেমধ্যে হ্যাং করা স্বাভাবিক। ফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ, জমে থাকা ফাইল এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান বিভিন্ন প্রক্রিয়া প্রসেসরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। তবে নতুন ফোন কেনার আগে কয়েকটি সহজ কৌশল প্রয়োগ করেই পুরোনো ডিভাইসের কর্মক্ষমতা অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
ফোনে এমন অনেক অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা থাকে, যেগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করা হয় না। অপ্রয়োজনীয় ভারী অ্যাপ ও গেম ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থেকে র্যাম ও ব্যাটারি ব্যবহার করতে পারে। তাই অব্যবহৃত অ্যাপগুলো শনাক্ত করে মুছে ফেলা উচিত।
ইন্টারনাল স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলেও ফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ছবি, ভিডিও, ডাউনলোড করা ভারী ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় নথি সরিয়ে পর্যাপ্ত জায়গা খালি রাখা প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্লাউড স্টোরেজ বা মেমোরি কার্ডে ব্যাকআপ করে রাখলে ফোনের ওপর চাপ কমে।
নিয়মিত ব্যবহারের ফলে অ্যাপগুলোর অস্থায়ী ডেটা বা ক্যাশ ফাইল জমে যায়। সেটিংসে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্যাশ পরিষ্কার করলে স্টোরেজ খালি হয় এবং ফোনের কার্যক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে ‘ক্লিয়ার ডেটা’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি, কারণ এতে লগইন তথ্য মুছে যেতে পারে।
লাইভ ওয়ালপেপার, অতিরিক্ত উইজেট ও অ্যানিমেশন পুরোনো প্রসেসরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। সাধারণ ওয়ালপেপার ব্যবহার এবং ডেভেলপার অপশন থেকে ট্রানজিশন অ্যানিমেশন স্কেল কমিয়ে দিলে ফোনের কাজের গতি বাড়তে পারে। পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক ভারী কাজ না করে অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখা উচিত।
স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর সর্বশেষ সফটওয়্যার আপডেট রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে বিভিন্ন বাগ ও পারফরম্যান্স-সংক্রান্ত দুর্বলতা ঠিক করে থাকে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক বা দুবার ফোন রিস্টার্ট করলেও মেমোরি রিফ্রেশ হতে পারে।
এসব পদ্ধতি প্রয়োগের পরও ফোনের কার্যক্ষমতা আশানুরূপ না হলে ফ্যাক্টরি ডেটা রিসেট করা যেতে পারে। এতে ফোনটি প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে যায় এবং ত্রুটিপূর্ণ ফাইল মুছে যায়। তবে রিসেটের আগে প্রয়োজনীয় সব তথ্যের পূর্ণাঙ্গ ব্যাকআপ রাখা আবশ্যক।
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে পুরোনো ব্যাটারি দুর্বল হয়ে গেলেও ফোনের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে। সব ধরনের সফটওয়্যারভিত্তিক সমাধানের পরও সমস্যা থাকলে সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করানো ভালো। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটারি পরিবর্তন বা অভ্যন্তরীণ মেরামত করলে পুরোনো ফোন আরও দীর্ঘদিন সচল রাখা সম্ভব।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- ১১-২০ গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ছে
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ৬১৮ প্রভাষকের চাকরি স্থায়ীকরণ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- নারী এশিয়া কাপ সেমিফাইনাল: কবে, কখন কোন দলের ম্যাচ
- বুটেক্সে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৮ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মাহমুদা মিতু
- ফের ব্যালন ডি’অরের তালিকায় মেসি