ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে: ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী জোরকায়েফ

২০২৬ জুলাই ০৯ ১১:০৬:৫৫

ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে: ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী জোরকায়েফ

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল ব্রাজিল যেন দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের হারানো পরিচয় ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায়। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর আর শিরোপার দেখা পায়নি সেলেসাওরা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই আক্ষেপ কাটেনি। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হলেও শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

শুধু ফলাফল নয়, মাঠের পারফরম্যান্সও হতাশ করেছে সমর্থকদের। আক্রমণে ধার, সৃজনশীলতা ও গতির অভাবের পাশাপাশি অনুপস্থিত ছিল ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী সাম্বা ফুটবলের সেই নান্দনিকতা, যা একসময় দলটির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হতো।

এমন প্রেক্ষাপটে বর্তমান ব্রাজিল দলকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ। আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ব্রাজিলের কথা বলতে গেলে, ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচ দেখেছেন? ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে।”

জোরকায়েফের মতে, বর্তমান ব্রাজিল দলে ঐতিহ্যগত কারিগরি দক্ষতার বড় ঘাটতি রয়েছে। তিনি বলেন, “আছে শুধু ৩৫ বছর বয়সি নেইমার, যিনি অনেকদিন খেলেননি, তবুও মাঠে নেমে কিছু একটা তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাকিরা কোথায়? সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা কোথায়?”

তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেন এবং আধুনিক স্ট্রাইকারদের পারফরম্যান্সের উদাহরণ টেনে আর্লিং হালান্ড ও এন্ড্রিকের তুলনা করেন।

জোরকায়েফ বলেন, “মান বলতে আমি প্রথম টাচ ও বল নিয়ন্ত্রণ বুঝি। নরওয়ের দ্বিতীয় গোলে হালান্ড যেভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করল, সঠিক সময় নিল, জায়গা তৈরি করল, তারপর সহজভাবে শট নিল-এটাই মান।”

তিনি আরও বলেন, “এন্ড্রিক গোলরক্ষকের সামনে পুরোপুরি ফাঁকা ছিল। যদি বলটা রোনালদোর কাছে থাকত, তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠাতেন।”

ইউরি জোরকায়েফ ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী দলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত