ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ফাঁকা ঢাকায় স্বস্তির যাত্রা, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষ

২০২৬ মে ২৯ ১১:২৩:২৪

ফাঁকা ঢাকায় স্বস্তির যাত্রা, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির আমেজে চিরচেনা ব্যস্ত রাজধানী ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা ও শান্ত। তবে এই শান্ত নগরের বুকেও শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকেই বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, কাউন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে লক্ষ্য করা গেছে ঘরমুখো সাধারণ মানুষের আনাগোনা। তবে ঈদের আগের দিনগুলোর মতো টার্মিনালগুলোতে নেই কোনো উপচে পড়া ভিড়, বাড়তি ভাড়ার খড়্গ কিংবা চেনা যানজটের চিরচেনা সেই চড়া বিশৃঙ্খলা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যারা পেশাগত ব্যস্ততা, জরুরি কাজ কিংবা ছুটি না পাওয়ার কারণে ঈদের মূল দিনের আগে ঢাকা ছাড়তে পারেননি, মূলত তারাই এখন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের বিলম্বিত আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে যান্ত্রিক শহর ছাড়ছেন।

আজ সকালে রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালীসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার বাস টার্মিনাল এবং কাউন্টারগুলোর সামনে যাত্রীদের বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। আলাপকালে বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, ঈদের আগের চরম ভোগান্তি, টিকিট কালোবাজারি এবং মহাসড়কের ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থবিরতা এড়াতেই তারা পরিকল্পিতভাবে ঈদের দ্বিতীয় দিন বাড়ির পথ ধরেছেন। আবার অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, ঈদের প্রথম দিন ঢাকায় নিজেদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কোরবানি সম্পন্ন ও ঈদ উদযাপন শেষে আজ গ্রামের বাড়িতে থাকা অন্য আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন।

ঘরমুখো যাত্রীদের মতে, ঈদের দ্বিতীয় দিনে যাত্রা করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ফাঁকা রাস্তা এবং যানজটহীন মহাসড়ক। কোনো রকম ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই বাসগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে ছেড়ে যাচ্ছে এবং পৌঁছাচ্ছে, যা সাধারণ সময়ের চেয়েও অনেক বেশি আরামদায়ক ও স্বস্তির।

টার্মিনালের ভেতরে সুশৃঙ্খল পরিবেশ থাকার পাশাপাশি আজ রাজধানীর বিভিন্ন ভেতরের সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ মোড়গুলো থেকেও যাত্রীদের নির্বিঘ্নে বাসে উঠতে দেখা গেছে। গণপরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামীকাল পর্যন্ত ঘরমুখো মানুষের এই হালকা চাপ বজায় থাকতে পারে, তবে কোথাও কোনো বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় বা ভোগান্তির আশঙ্কা নেই।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত