ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশকে মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ ও অবদান জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে সবার সহযোগিতা পেলে একটি ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক প্রীতিভোজে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
তারেক রহমান বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও সেনাসদস্যরা যে ধরনের বাংলাদেশ দেখতে চান, সরকার ধাপে ধাপে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। অতীতে নানা কারণে দীর্ঘদিন দেশে থাকতে না পারার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে জনগণের ধারণা রয়েছে, তবে এখন লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে আরও ইতিবাচক অবস্থানে নেওয়া।
দেশ গঠনে সবার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন নিশ্চিত করা গেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
ঈদের দিনের অনুভূতি তুলে ধরে তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে এমন তৌফিক কামনা করা হয়েছে যাতে সবাই নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ঈদের সময় পরিবার থেকে দূরে থেকেও দেশের দায়িত্ব পালন করছেন অনেক সেনাসদস্য। জাতি তাদের এই ত্যাগের জন্য কৃতজ্ঞ থাকবে।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি পত্রিকা অফিসে আগুনের ঘটনায় সেনাসদস্যদের উদ্ধার অভিযানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনায় প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, যা সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ।
পরে তিনি সেনাসদরে নিজের শৈশবের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়ানো, পুরোনো সেনানিবাসের পরিবেশ এবং সৈনিকদের সঙ্গে সময় কাটানোর স্মৃতিচারণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ছোটবেলা থেকেই সেনানিবাস এলাকার সঙ্গে তার আবেগ ও স্মৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণেই এখানে এলে আলাদা অনুভূতি কাজ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম। পরে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরের ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- নবম জাতীয় পে-স্কেল, কাটছাঁটের পর যত টাকা লাগছে?
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- গরু-মহিষ কোরবানি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিধিনিষেধ বহাল
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাল সনদে নিয়োগ: ৬৩ শিক্ষককে শোকজ মাউশির
- আফতাব অটো ও জেনেক্স ইনফোসিসের কর্তাদের ১.৪৩ কোটি টাকা জরিমানা
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা