ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশকে মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগ ও অবদান জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে সবার সহযোগিতা পেলে একটি ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক প্রীতিভোজে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
তারেক রহমান বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও সেনাসদস্যরা যে ধরনের বাংলাদেশ দেখতে চান, সরকার ধাপে ধাপে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। অতীতে নানা কারণে দীর্ঘদিন দেশে থাকতে না পারার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে জনগণের ধারণা রয়েছে, তবে এখন লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে আরও ইতিবাচক অবস্থানে নেওয়া।
দেশ গঠনে সবার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন নিশ্চিত করা গেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
ঈদের দিনের অনুভূতি তুলে ধরে তিনি বলেন, আল্লাহর কাছে এমন তৌফিক কামনা করা হয়েছে যাতে সবাই নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ঈদের সময় পরিবার থেকে দূরে থেকেও দেশের দায়িত্ব পালন করছেন অনেক সেনাসদস্য। জাতি তাদের এই ত্যাগের জন্য কৃতজ্ঞ থাকবে।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি পত্রিকা অফিসে আগুনের ঘটনায় সেনাসদস্যদের উদ্ধার অভিযানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনায় প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, যা সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ।
পরে তিনি সেনাসদরে নিজের শৈশবের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়ানো, পুরোনো সেনানিবাসের পরিবেশ এবং সৈনিকদের সঙ্গে সময় কাটানোর স্মৃতিচারণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ছোটবেলা থেকেই সেনানিবাস এলাকার সঙ্গে তার আবেগ ও স্মৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণেই এখানে এলে আলাদা অনুভূতি কাজ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম। পরে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরের ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোর ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা
- বাংলাদেশে যেসব চ্যানেলে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬