ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
টিকিট সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় বিষণ্ণ সায়েদাবাদের ঈদযাত্রা
নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ, যার স্পষ্ট রূপ দেখা গেছে সায়দাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালে। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকেই এই দুই টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে বরাবরের মতোই উৎসবের আনন্দকে ফিকে করে দিয়েছে তীব্র পরিবহন সংকট এবং যাত্রীপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পকেট কাটার মহোৎসব। অগ্রিম টিকিট না পেয়ে চরম বিপাকে পড়া শত শত সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে লোকাল বাসে দাঁড়িয়ে কিংবা ইঞ্জিনের ওপর বসে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে।
সকাল ৯টার দিকে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকার কাউন্টারগুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছেন শত শত মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্দেশ্যে একের পর এক দূরপাল্লার বাস টার্মিনাল ছাড়ছে। তবে এবারের ঈদযাত্রায় যারা আগেভাগে টিকিট কেটে রেখেছিলেন, তাদের যাত্রা কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও তাৎক্ষণিক টিকিট কিনতে আসা সাধারণ যাত্রীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। কাউন্টারগুলো টিকিট সংকটের অজুহাতে নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাবি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যেমন সায়েদাবাদ থেকে সপরিবারে বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশ্যে হানিফ পরিবহনের ৪টি টিকিট কিনেছেন জসিম নামের এক যাত্রী। তিনি আক্ষেপ করে জানান, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে বরিশাল যেতে ৫০০ টাকা লাগে, সেখানে আজ প্রতি টিকিটের জন্য ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এটা শুধু এবার নয়, প্রতি ঈদেই আমাদের এই বাড়তি ভাড়ার জুলুম সহ্য করতে হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, চড়া দাম নেওয়ার পরও পেছনের ফাঁকা আসনগুলো পূরণ করার অজুহাতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গাড়ি টার্মিনালেই দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে।
ভাড়ার এই লাগামহীন চিত্র কেবল বড় পরিবহনেই নয়, বরিশালগামী বিএমএফ-এর মতো লোকাল বাসগুলোতেও দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ী মোড়ে দেখা যায়, এই বাসটি আসন পূর্ণ হওয়ার পরও অতিরিক্ত যাত্রী দাঁড়িয়ে নিয়ে রওনা হচ্ছে। বাসের যাত্রীরা জানান, সাধারণ সময়ে ৪০০ টাকা ভাড়া হলেও আজ তাদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকি সিট না পেয়ে যারা দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন, তাদের পকেট থেকে খসানো হচ্ছে ৬০০ টাকা। নিরুপায় হয়েই তারা এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা বেছে নিয়েছেন।
ভাড়ার এই নৈরাজ্য কেবল দক্ষিণাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য রুটগুলোতেও। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের নন-এসি বাসগুলোতে নিয়মিত ভাড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা হলেও ঈদের সুযোগে এখন আদায় করা হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। একইভাবে ঢাকা থেকে খুলনাগামী বাসগুলোতেও ৭০০ টাকার সাধারণ টিকিটের মূল্য হাঁকানো হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)