ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

সনদ যাচাই বিতর্কে ঢাবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৬:৪৩:৪৭

সনদ যাচাই বিতর্কে ঢাবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত সনদ যাচাই নিয়ে আলোচিত ঘটনায় নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রাক্তন শিক্ষার্থী জিনিয়া তাসনিম-কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের প্রেক্ষিতে রোববার (৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ধরনের বিভ্রান্তি দূর করতেই কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে।

ব্যাখ্যায় জানানো হয়, বিদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি ঢাবির সঙ্গে সনদ যাচাইয়ের জন্য যোগাযোগ করে না; বরং WES, First Advantage, Qualification Cheque, Data Flow, AMS India, UHR-এর মতো তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি নিয়ে ঢাবির কাছে ই-মেইল পাঠায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২০১৫ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সনদ যাচাইয়ের জন্য জনপ্রতি ৫০ ডলার ফি নির্ধারিত রয়েছে। এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী নিজেই পরিশোধ করে থাকে। ফি পাওয়ার পর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরে সনদ যাচাই শেষে রেজিস্ট্রার অফিস থেকে প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জিনিয়া তাসনিমের ক্ষেত্রে ‘UHR’ নামের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঢাবিতে ই-মেইল পাঠালেও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেনি। পরদিন জিনিয়া নিজেও সংশ্লিষ্ট দফতরে উপস্থিত হয়ে ফি দিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ফি না পাওয়ায় যাচাই প্রক্রিয়া এগোয়নি। একইসঙ্গে নাফিজ বশির আলিফ নামে আরেক শিক্ষার্থীর করা অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের সনদ যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া তাদের ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দফতর কোনো ধরনের গাফিলতি করেনি। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং মনে করে, এমন তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এর আগে গত ২৭ মার্চ জিনিয়া তাসনিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘অসহযোগিতামূলক আচরণ’ নিয়ে একটি পোস্ট দিলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত