ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘চলমান সকল প্রকল্প নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে টেন্ডার জালিয়াতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অতীতে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হয়ে থাকলে তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে চলমান সকল প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টর কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির অঞ্চল–১, ৬, ৭ ও ৮-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান নগর সেবায় কোনো ধরণের অবৈধ হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা থাকতে হবে যাতে নাগরিকরা সরাসরি উন্নয়নের সুফল দেখতে পায়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার ওপর জোর দিয়ে তিনি সময়মতো অফিসে উপস্থিতি এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় তিনি ঘোষণা করেন যে, কোনো প্রয়োজনে সাধারণ নাগরিক বা কর্মীরা সরাসরি তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা মশা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশাসক নতুন কৌশলের কথা তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘শুধু মশার ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। কার্যকর নিয়ন্ত্রণের জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করতে হবে।’ এ সময় মশককর্মীদের কাজে ফাঁকি না দিয়ে দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশনা দেন এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন জনগুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডিএনসিসির নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোতে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বিশেষ করে দক্ষিণখানের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে উত্তরখানে সিটি কর্পোরেশনের একটি আলাদা আঞ্চলিক অফিস স্থাপনের দাবি জানান তিনি, যাতে স্থানীয়দের উত্তরা পর্যন্ত আসার কষ্ট লাঘব হয়।
সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা হকার ব্যবস্থাপনা, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিক সেবা প্রদানে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার কথা প্রশাসকের সামনে তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবং নতুন প্রশাসনের অধীনে নগরীর শৃঙ্খলা ফেরাতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের ঈদের শুভেচ্ছা
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঈদের চামড়া বিক্রিতে হতাশ বিক্রেতারা