ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২
নিজেদের সরকার গঠনের মতো আমরা পর্যাপ্ত আসন পাবো: তারেক রহমান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের শীর্ষ দাবিদার এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হলে তাঁর সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তিনি অঙ্গীকার করেছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট হওয়া দেশকে তিনি পুনরায় মেরামত করবেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আগামী বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে বিজয়ী হলে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার হবে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা; যাতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উদ্ভূত রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ থাকেন।’’ তবে ১৭ কোটি মানুষের এই দেশটির পুনর্গঠন অত্যন্ত কঠিন কাজ হবে উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। গত শাসনামলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে, জ্বালানি খাত ধ্বংস হয়েছে।’’
নির্বাচনি মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ থাকলেও তারেক রহমান একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। গুলশানে নিজ কার্যালয়ে বসে তিনি বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি জনগণের কাছ থেকে একটি স্পষ্ট ম্যান্ডেট পাব—একটি বড় ম্যান্ডেট।’’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘নিজেদের সরকার গঠনের মতো আমরা পর্যাপ্ত আসন পাবো।’’ বর্তমানে তাঁর দলের নির্বাচনি জোটের বাইরে নতুন কোনো জোটের প্রয়োজন তিনি দেখছেন না।
দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর ফেরার কয়েক দিন পরই মা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। নিজের কিংবদন্তি বাবা-মায়ের উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘তারা ছিলেন তারা। আর আমি আমিই।’’ সারাজীবন রাজনীতির ভেতর বড় হওয়া এই নেতা দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘‘আমি তাদের চেয়ে ভালো করার চেষ্টা করব।’’
তারেক রহমানের মতে, নির্বাচিত হলে তাঁর অন্যতম প্রধান কাজ হবে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি এবং তৈরি পোশাক খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা। তিনি বলেন, ‘‘দেশে বিপুলসংখ্যক বেকার রয়েছেন। আমাদের এই তরুণদের চাকরির জন্য ব্যবসা সৃষ্টি করতে হবে।’’ বিশেষ করে দেশের নারীদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও তারেক রহমান প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ওপর জোর দেন। তাঁর ভাষ্য, ‘‘আমার জনগণের স্বার্থ এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে।’’ তবে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অন্তত ‘‘প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক’’ চায়।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যা দেখছি, তা হলো মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কয়েকজন মানুষকে অত্যন্ত ধনী করা হয়েছে। কিন্তু দেশের বাকি অংশ; পুরো জনগণ কিছুই পায়নি।’’ তবে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে তাঁর ভিন্নমত রয়েছে। তিনি মনে করেন, ‘‘নিশ্চয়ই, কেউ যদি কোনও ধরনের অপরাধে জড়িত থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া উচিত।’’
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পাকিস্তান বনাম যুক্তরাষ্ট্র: কখন, কোথায় সরাসরি Live দেখবেন জানুন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- বিশ্বরেকর্ড জুটিতে আমিরাতকে ১০ উইকেটে উড়াল নিউজিল্যান্ড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বে লিজিং
- টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- ৩৬০ মিটার, মোবাইল নিষেধাজ্ঞা ও ক্ষমতার রাজনীতি: নিরাপত্তার নামে কতটা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য?
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: জেনে নিন সরাসরি দেখার উপায়
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
- ডিইউপিএস-এর ২৩তম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আবীর, সম্পাদক হাসিব
- ৪ দিন ইন্টারনেট ব্যাংকিং বন্ধ ঘোষণা
- সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফাইনাল: ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল জানুন
- এক নজরে দেখে নিন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিবর্তিত সময়সূচি
- বিমস্টেকও ইয়ুথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ-এর মধ্যে বিশেষ বৈঠক সম্পন্ন
- উপবৃত্তিতে বড় পরিবর্তন, খুলল নতুন সুযোগ