ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
"গাজা সংকটে দ্রুত সমাধান আসছে"
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না এবং গাজা নিয়ে সমঝোতা “অতি শীঘ্রই” সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। ট্রাম্পের এ মন্তব্য হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আসে; তিনি উল্লেখ করেন, আগামী সোমবার তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বিবিসির প্রতিবেদন বলেছে, নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণের আগে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, “আমি ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেব না; এটা কোনোভাবেই ঘটবে না।” তিনি আরও জানান, গাজা বিষয়ে সম্ভাব্য সমঝোতা খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।
এই ফ্যাসিলিটেশন প্রচেষ্টার মধ্যে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও পশ্চিম তীরের দখলশীল অবস্থার অবসান দাবি করে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। অনেক পশ্চিমা দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে; গত সপ্তাহে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালসহ ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, মোনাকো, সান মারিনো, অ্যান্ডোরা ও ডেনমার্কও একই ঘোষণা করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে রাজি হয়নি—ওয়াশিংটনের যুক্তি, এটি হামাসকে পুরস্কৃত করার শামিল হতে পারে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও যুক্তরাজ্য, জার্মানি নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করা হয়েছে যে পশ্চিম তীর দখল আইনগত, নৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য হবে। লেবাননের পরিপ্রেক্ষিত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলছেন, “ট্রাম্প পশ্চিম তীর দখলের ঝুঁকি ও বিপদ ভালভাবে বুঝে নিয়েছেন।”
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘে ভিডিও ভাষণে ফরাসি শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমর্থন ও বিশ্বনেতাদের সহযোগিতার আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্র তাকে নিউইয়র্ক ভিসা না দেওয়ায় তিনি সরাসরি সভায় অংশ নিতে পারেননি। আব্বাস আশ্বাস দিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর গাজার পূর্ণ দায়িত্ব ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিবে এবং গাজা পশ্চিম তীরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে; তিনি বলেন, শাসনব্যবস্থায় হামাসের কোনো অংশ থাকবে না।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে—ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর আলোচনা, পশ্চিমা দেশের স্বীকৃতি ও ফিলিস্তিনি নেতাদের বার্তা মিলে পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নিরূপণে গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজ ব্রাজিল বনাম ফ্রান্স ম্যাচ কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন?
- ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ: জেনে নিন কবে, কোথায় খেলা
- আজ বাংলাদেশ-ভিয়েতনামের ম্যাচ কখন, কোথায় এবং যেভাবে দেখবেন
- আর্জেন্টিনা বনাম জাম্বিয়া: কবে, কখন জানুন সময়সূচী
- ব্রাজিল বনাম ফ্রান্স ম্যাচ শেষ, জানুন ফলাফল
- বাংলাদেশ বনাম ভিয়েতনাম ম্যাচ চলছে, সরাসরি Live দেখুন এখানে
- শেষ হলো বাংলাদেশ বনাম ভিয়েতনাম ম্যাচ, জানুন ফলাফল
- বাংলাদেশ বনাম সিঙ্গাপুর ম্যাচ: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ আজকের খেলা
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচ, সরাসরি Live দেখুন এখানে
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচ শেষ, জানুন ফলাফল
- কিউএস বিষয়ভিত্তিক র্যাংকিং: বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেল ঢাবির ১০ বিভাগ
- জাতিসংঘের ভলান্টিয়ার হতে আবেদন করুন আজই
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা
- এপ্রিলে টানা পাঁচ দিনের লম্বা ছুটির সুযোগ
- ঢাবি চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু