ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

হায়ার এডুকেশন প্রকল্পের অগ্রগতিতে ‘মাঝারি সন্তোষ’ প্রকাশ করল বিশ্বব্যাংক

২০২৬ এপ্রিল ০১ ১৬:০৩:০৮

হায়ার এডুকেশন প্রকল্পের অগ্রগতিতে ‘মাঝারি সন্তোষ’ প্রকাশ করল বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতিতে ‘মাঝারি মানের সন্তোষজনক’ (মডারেটলি সেটিসফেক্টরি) হিসেবে মূল্যায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। বুধবার (১ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই মূল্যায়নের কথা জানায়।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার টি এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই প্রতিনিধি দল প্রকল্পের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনা করেন। সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এবং হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় টি এম আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংকের দৃষ্টিতে হিট প্রকল্পটি ‘প্রবলেম প্রজেক্ট’ এবং পরবর্তীতে ‘রিয়েল প্রবলেম প্রজেক্ট’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টের পর ইউজিসির নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের ফলে প্রকল্পের কাজে দৃশ্যমান গতি এসেছে। এর ফলে ‘ইমপ্লিমেন্টেশন স্টাটাস অ্যান্ড রেজাল্টস রিপোর্ট ২০২৫’-এ প্রকল্পটিকে ‘মাঝারি মানের সন্তোষজনক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হিট প্রকল্প বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের একটি ‘ফ্রন্টলাইন ইনভেস্টমেন্ট’, যা দক্ষ মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে। আগামী এপ্রিল মাসে প্রকল্পের ‘মিড-টার্ম রিভিউ’ শুরু হবে এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ বলেন, হিট প্রকল্প দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও কাঠামোগত সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নবীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এরই মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। তিনি সংশ্লিষ্টদের নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেন।

বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী দুই বছর গবেষণা জোরদার করা, শিক্ষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক ক্যাম্পাস উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ৫ বছর মেয়াদি ৪ হাজার ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার এই বিশাল প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৫০.৯৬ শতাংশ এবং বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে বাকি ৪৯.৪ শতাংশ অর্থ।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত