ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
জাতীয় সংসদ জনগণের অধিকার ও সার্বভৌমত্বের কেন্দ্র: ডেপুটি স্পিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নবনির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার (নেত্রকোণা-১) তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি সংসদকে জনগণের অধিকার ও সার্বভৌমত্বের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়।
রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে এদিন প্রথমবারের মতো অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি সংসদকে প্রচলিত ধারা থেকে ভিন্নভাবে ‘মজলুমদের সংসদ’ ও ‘ঐতিহাসিক সংসদ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি মেনে দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী এবং নিজ নির্বাচনী এলাকা কলমাকান্দা-দুর্গাপুরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও উল্লেখ করে বলেন, খালেদা জিয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং তিনি ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে স্বীকৃত।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে গণতন্ত্রের নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মীর মুগ্ধসহ সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার মতে, এই অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে জনগণের শক্তিই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি এবং বর্তমান সংসদ নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের ত্যাগের ফল।
তিনি আরও জানান, সংসদ পরিচালনায় সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তিনি দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। স্পিকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি সংসদ সদস্যের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
হযরত আবু বকর (রা.)-এর দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, সঠিক পথে থাকলে সদস্যরা সহযোগিতা করবেন, আর ভুল হলে সংশোধন করবেন। তিনি সংসদে অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ সদস্যদের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন।
নিজ বক্তব্যে তিনি যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার স্টাইলের গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় সবাইকে আইনের মধ্যে থেকেই কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
শেষে তিনি সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তার মতে, জাতীয় সংসদকে হতে হবে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং লক্ষ্য হওয়া উচিত ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ