ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানেই উন্নয়নশীল রাষ্ট্র সম্ভব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও দুর্বল প্রশাসনিক বাস্তবতার মধ্যেই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে সরকার—এমন মন্তব্য করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণের ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে উপস্থাপনা করেন সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।
মন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর ও সফল রাষ্ট্র গড়ে তুলতে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র—এই তিন স্তরের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। মতপার্থক্য ও বিভাজন ভুলে সবাই যদি একটি দল হিসেবে কাজ করে, তবে সুশাসন, উন্নয়ন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা মানে শুধু প্রশাসনিক সংস্কার নয়, বরং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। দক্ষ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানই উন্নয়নমুখী শক্তিশালী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। এ কারণে সরকারের পুনর্গঠন উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দুর্দশার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষের কষ্ট বাস্তবতা—এটি কেবল আবেগের বিষয় নয়। তাদের জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়াই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার, যাতে মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রেখে জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার ও ঘোষিত ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়; এগুলো জনগণের সঙ্গে করা সামাজিক অঙ্গীকার। তাই নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী পরিবেশ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিলেই ইশতেহার ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন সম্ভব। কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে মন্ত্রণালয়ের আন্তরিক উদ্যোগই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- নবম জাতীয় পে-স্কেল, কাটছাঁটের পর যত টাকা লাগছে?
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- গরু-মহিষ কোরবানি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিধিনিষেধ বহাল
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাল সনদে নিয়োগ: ৬৩ শিক্ষককে শোকজ মাউশির
- আফতাব অটো ও জেনেক্স ইনফোসিসের কর্তাদের ১.৪৩ কোটি টাকা জরিমানা
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা