ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
নতুন বিনিয়োগের দরজা খুলবে কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনিয়ন্ত্রিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট গড়ে উঠলে দেশে নতুন বিনিয়োগের ধারা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনরা। তারা মনে করেন, চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মাধ্যমে দেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা হওয়া দেশের শেয়ারবাজার ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় অর্জন। তাদের মতে, বন্ড, কমোডিটিসহ নতুন প্রোডাক্ট যত দ্রুত চালু হবে, অর্থনীতির ভিত তত দ্রুত সুদৃঢ় হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ‘ডিসকাশন অন লঞ্চিং কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এসব মতামত উঠে আসে। সিএসইর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভার বিষয়ে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সিএসইর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট এমকেএম মহিউদ্দিন।
সভায় সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ড. মাহমুদ হাসান, এম জুলফিকার হোসেন, মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরীসহ সিএসইর সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার।
স্বাগত বক্তব্যে সিএসইর চেয়ারম্যান বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ধারণা এবং শেয়ারবাজারের জন্য নতুন অ্যাসেট ক্লাস। দেশের কমোডিটি ইকোসিস্টেমে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে উঠলে উন্নত বাজারব্যবস্থা গঠন সহজ হবে। এতে সুনিয়ন্ত্রিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট গড়ে উঠবে, যা প্রাইস ডিসকভারি, হেজিং সুবিধা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারী—উভয় পক্ষের জন্যই হবে অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের শেয়ারবাজার এখনও তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে, অথচ শেয়ারবাজারই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের মূল ক্ষেত্র। কিন্তু সেখানে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াতে মার্কেটে প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন আনা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে এমার্জিং মার্কেটে যাওয়ার পথ সুগম করতে নতুন প্রোডাক্ট চালুর বিকল্প নেই। বন্ড, কমোডিটিসহ নতুন সব প্রোডাক্ট যত দ্রুত চালু হবে, অর্থনীতি তত দ্রুত শক্তিশালী হবে। ব্যাংক থেকে আসা প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন—“সিএসই যে নতুন মার্কেট তৈরি করছে, সেখানে আপনাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এখানে বিনিয়োগ করলে তা হবে ব্যাংকের ব্যালান্স শিটের একটি নতুন উইন্ডো।”
আমির খসরু আরও উল্লেখ করেন, দেশের বাইরে থাকা অনেক বাংলাদেশি দেশে নতুন বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তাই নতুন উদ্যোগ ও নতুন বাজার তৈরির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে ভাইভার সময়সূচি নিয়ে যা জানা গেল
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল