ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
আজ নির্ধারিত হবে মার্জিন ঋণ নীতিমালার ভাগ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে আলোচিত মার্জিন ঋণ নীতিমালা নিয়ে আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ রায়। বিনিয়োগকারীদের দাবি, নতুন বিধিমালা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে এবং বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করেছে।
এই ইস্যুতে বিনিয়োগকারীদের পক্ষে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন এস. এম. ইকবাল হোসেন। রিটটির পক্ষে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন। গতকাল বুধবার (১১ নভেম্বর) হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রিটের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক প্রণীত মার্জিন ঋণ বিধিমালায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন নীতিমালা বড় বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দিতে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “এই বিধিমালায় ৫ লাখ টাকার নিচে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণের আওতায় আনা হয়নি, যা সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ নীতির পরিপন্থী।” তিনি আরও বলেন, এই বিধিমালায় ছাত্র-ছাত্রী ও গৃহিণীদেরও ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, যা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
বিনিয়োগকারীদের আইনজীবীরা আরও অভিযোগ করেন, বিএসইসির নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী কোনো বিধি তৈরির আগে জনগণের মতামত যাচাই করতে হয় এবং এজন্য দুটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকে খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের সময় বিএসইসি তা করেনি, ফলে নীতিমালাটি আইনি বৈধতা হারিয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতে বিএসইসির পক্ষে সরকারী আইনজীবিরা দাবি করেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং বাজারে সুষমতা আনতে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। তাদের মতে, সীমিত আকারে ঋণ সুবিধা দেওয়া শৃঙ্খলা শেয়ারবাজারে বজায় রাখার একটি উপায়।
রিটের শুনানি শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে দেশের শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, রায়টি যদি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে যায়, তবে তা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, নীতিমালা বহাল থাকলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য ঋণসুবিধা আরও সীমিত হয়ে পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আজ গভীর আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা—কী হতে যাচ্ছে মার্জিন ঋণের ভাগ্য, সেটিই এখন সবার নজরে।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে ভাইভার সময়সূচি নিয়ে যা জানা গেল
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল