ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
অফিসে স্ট্রেস মুক্তির ৫ সহজ কৌশল
কর্মক্ষেত্রে চাপ একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয় এবং দিনকে কঠিন করে তোলে। তবে অল্প কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করে ডেস্কে বসেই মানসিক চাপ কমানো এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব। মন ও শরীরকে পুনরায় সতেজ রাখতে খুব বেশি সময় বা বিশেষ কোনো সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না, কেবল দৈনন্দিন রুটিনের মধ্যে কিছু দ্রুত কাজ যোগ করা যথেষ্ট। এই কৌশলগুলো মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে, অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
অফিসে স্ট্রেস দূর করার জন্য ৫টি সহজ উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. ৪-৭-৮ শ্বাস-প্রশ্বাস: এটি একটি সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল যা চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। আরামে বসে, চার সেকেন্ড নাক দিয়ে চুপচাপ শ্বাস নিন, সাত সেকেন্ডের জন্য শ্বাস ধরে রাখুন এবং তারপর আট সেকেন্ডের জন্য মুখ দিয়ে সম্পূর্ণরূপে শ্বাস ছাড়ুন। এই চক্রটি তিন থেকে চারবার পুনরাবৃত্তি করলে স্নায়ুতন্ত্র শান্ত হয় এবং উদ্বেগের মাত্রা কমে।
২. মাইক্রো মেডিটেশন ব্রেক: মাত্র এক বা দুই মিনিটের এই ক্ষুদ্র মেডিটেশন কর্মপ্রবাহ ব্যাহত না করেও মানসিকভাবে সতেজ হতে সাহায্য করে। চোখ বন্ধ করে, আপনার শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর মনোযোগ দিন এবং ৬০ সেকেন্ডের জন্য যেকোনো বিক্ষেপ বা উদ্বেগ ত্যাগ করুন। এই সংক্ষিপ্ত বিরতি মস্তিষ্ককে পুনরায় সেট করতে, একাগ্রতা বাড়াতে এবং স্ট্রেসের অনুভূতি কমাতে সহায়ক।
৩. ধাপে ধাপে পেশী শিথিলকরণ: এই পদ্ধতিতে পা থেকে শুরু করে মুখ পর্যন্ত শরীরের বিভিন্ন পেশী গোষ্ঠীকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য শক্ত করে এবং তারপর ধীরে ধীরে শিথিল করা হয়। এই অনুশীলন মানসিক চাপের সঙ্গে থাকা শারীরিক অস্থিরতা কমায় এবং শিথিলতার অনুভূতি বাড়ায়।
৪. ডেস্ক স্ট্রেচ রিসেট: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে ঘাড়, কাঁধ ও হাতে যে টানটান ভাব সৃষ্টি হয়, তা কমাতে কিছু সহজ স্ট্রেচিং ব্যায়াম খুব কার্যকর। ঘাড় ঘোরানো, কাঁধ ঝাঁকানো এবং হাত উপরে বা পিছনে রেখে প্রসারিত করলে শারীরিক অস্বস্তি কমে। এটি মস্তিষ্ককে উত্তেজনা কমাতে এবং শক্তির মাত্রা উন্নত করতে সংকেত দেয়। প্রতিদিন কয়েকবার দ্রুত স্ট্রেচিং করলে অফিসের কাজ কম কষ্টকর মনে হবে।
৫. কৃতজ্ঞতার কথা লিখে রাখুন: কৃতজ্ঞতার ওপর মনোযোগ দিলে মানসিকতা স্ট্রেস থেকে ইতিবাচকতায় পরিবর্তিত হয়। ডেস্কে একটি ছোট নোটপ্যাড বা স্টিকি নোট রাখুন এবং প্রতিদিন আপনি যে জিনিসটির জন্য কৃতজ্ঞ তা লিখে রাখুন। সাফল্য এবং কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জোরদার করার জন্য লেখার পরে এটি পরীক্ষা করে দেখুন। এই সহজ অনুশীলন মেজাজকে উজ্জ্বল করে, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে এবং অতিরিক্ত চাপের অনুভূতি কমায়।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখুন এখানে
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- অনার্সে পড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার
- ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে বসছে চাঁদ দেখা কমিটি
- ডিগ্রি ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- নতুন করপোরেট গভর্নেন্স রুলসের খসড়া প্রকাশ, মতামত আহ্বান বিএসইসির
- শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর, শুরু হচ্ছে লম্বা ছুটি
- সমকামিতার অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিল
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবাধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- না ফেরার দেশে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার
- নতুন উপাচার্য পেল দেশের ১০ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সৌদি আরবে ফুল ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ