ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স সভা স্থগিতের দাবি কর্মকর্তাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এই মুহূর্তে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স অনুমোদনের মতো বড় সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। সংগঠনটি মনে করছে, বিষয়টি আরও সময় নিয়ে পর্যালোচনা ও স্বচ্ছ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের নেতারা এ অবস্থান তুলে ধরেন। এতে সংগঠনের সভাপতি এ কে এম মাসুম বিল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ ও সরকার গঠনের কাজ চলছে। এর মধ্যেই স্বল্প নোটিশে ১৬ ফেব্রুয়ারি জরুরি বোর্ড সভা ডাকা হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স ইস্যুটি আলোচ্যসূচিতে রয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন বলে মত দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। কাউন্সিল নেতারা বলেন, লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের প্রশ্ন বা বিতর্কের সুযোগ থাকা উচিত নয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগত পরিচয় বা প্রভাবের বিষয়ও যাচাই করা দরকার বলে তারা মন্তব্য করেন।
এছাড়া ব্যাংক কোম্পানি আইন ও বিদ্যমান বিধিমালা অনুসারে মালিকানা কাঠামো ও শেয়ার ধারণের বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। রাজনৈতিক অন্তর্বর্তী সময়ে বড় নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
কাউন্সিল জানায়, দেশে বর্তমানে ৬১টি তফসিলি ব্যাংকসহ অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাচ্ছে। খেলাপি ঋণের উচ্চহার ও কিছু ব্যাংকের তারল্য সংকট বিবেচনায় নিয়ে নতুন ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের আগে এর প্রয়োজন, সম্ভাব্য ঝুঁকি ও প্রভাব গভীরভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স অনুমোদনের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা, ১৬ ফেব্রুয়ারির জরুরি বোর্ড সভা পুনর্বিবেচনা এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়।
কাউন্সিল নেতারা বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত হলে ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা আরও বাড়বে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক