ঢাকা, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
স্মার্টফোনে সময় নষ্ট করছেন? বদলে ফেলুন এই অভ্যাসগুলো
নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে প্রয়োজনের বাইরে অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার অনেকের ক্ষেত্রেই এক ধরনের আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। এতে অজান্তেই নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময়, কমছে মনোযোগ এবং ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে এই আসক্তি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
ফোনে কতটা সময় ব্যয় করছেন, তা জানার জন্য বিভিন্ন স্ক্রিন টাইম বা অ্যাপ ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এসব অ্যাপ প্রতিদিন কোন অ্যাপে কত সময় কাটাচ্ছেন, তার বিস্তারিত তথ্য দেখায়। এতে নিজের অজান্তে কতটা সময় অপচয় হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায়।
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখাও ফোনের প্রতি নির্ভরতা কমানোর কার্যকর উপায়। বারবার টেক্সট, ইমেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালার্ট মনোযোগ নষ্ট করে এবং অকারণে ফোন হাতে নিতে বাধ্য করে। তাই জরুরি নয় এমন নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা ভালো।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য ফোনের পরিবর্তে অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অ্যাপ ব্যবহারের প্রবণতা কমবে। চাইলে রাতে ফোন অন্য কক্ষে চার্জে রেখে সকালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে না দেখার অভ্যাসও গড়ে তুলতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ কয়েক দিনের জন্য ফোন ব্যবহার থেকে বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিন দিনের ডিজিটাল বিরতি অনেকের ক্ষেত্রে পুরোনো অভ্যাস ভাঙতে সহায়ক হতে পারে। পরে ধীরে ধীরে শুধু প্রয়োজনীয় কল ও বার্তা দিয়ে ফোন ব্যবহার শুরু করে অন্যান্য কাজ যুক্ত করা যেতে পারে।
যদি দীর্ঘ সময় ফোন ছাড়া থাকা সম্ভব না হয়, তাহলে প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে কিছু সময় 'প্রযুক্তিমুক্ত সময়' নির্ধারণ করতে পারেন। এ সময় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, হাঁটাহাঁটি বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা যেতে পারে।
নিজের পছন্দের কোনো শখের কাজও ফোনের আসক্তি কমাতে সাহায্য করে। বই পড়া, ব্যায়াম, বাগান করা বা পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটানোর মতো কাজ মানসিক প্রশান্তি দেয় এবং অকারণে ফোন ব্যবহারের প্রবণতা কমায়।
এ ছাড়া অধিকাংশ স্মার্টফোনেই থাকা 'ডু নট ডিস্টার্ব' সুবিধা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কল ও নোটিফিকেশন সীমিত রাখা যায়। এতে প্রয়োজনীয় কাজের সময় মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয় এবং ধীরে ধীরে ফোনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমে আসে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. মুজাম্মেল হক
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ জুলাই)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ জুলাই)