×

ঢাকা, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সালমান মুক্তাদিরের

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৭ ১৬:৩৩:৪৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সালমান মুক্তাদিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দায়িত্ব থেকে ‘ডিটাচড’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন সালমান মুক্তাদির।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, ‘তিনি বলছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা চায়নি। চাইলে নাকি দিতেন। আবার বলছেন যে বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই ঢালাও অভিযোগের কোনো মানে নেই। যদি তিনি কোনো মামলা করেন, স্পেসিফিক সেটা তদন্ত হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের জবাবে ভিডিও বার্তা দেন সালমান মুক্তাদির। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড তারেক রহমান মে বি বুঝে নাই, কী হইছে কালকে’।

ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর স্টোরি নিয়ে কথা বলায় তিনি কৃতজ্ঞ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে ভদ্রলোক বলেছেন—এ বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফ্রিডম অব স্পিচ নিয়ে বক্তব্য তাঁকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে বলেও জানান।

সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর থাকা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনে থাকা নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্বও তাঁর। এ ক্ষেত্রে তাঁকে সব ধরনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মামলা করা হয়নি—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে সালমান মুক্তাদির বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে প্রত্যেকটি থানা, কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন কাজ করে। অথচ মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাঁর কাছে তথ্য না থাকা দায়িত্বের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি প্রকাশ করে। তাঁর ভাষায়, ‘আপনি পুরোপুরি ডিটাচড, আপনি জানেন না মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

সালমান মুক্তাদির জানান, ঘটনার পর তিনি রাত চারটা পর্যন্ত ক্যান্টনমেন্ট থানায় অনেক মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ছিলেন এবং ভোর চারটার দিকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরেন। এরপরও দুপুর পর্যন্ত মামলা করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, থানায় যাওয়ার পরও মামলা কেন করা হয়নি, সেই প্রশ্নই বরং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে করা উচিত। তিনি বলেন, রাতেই তিনি মামলা করার জন্য থানায় গিয়েছিলেন।

বিএনপি ও চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ কেন তুলেছেন, সে ব্যাখ্যাও দেন সালমান মুক্তাদির। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বিষয়টি হেসে উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা ছিল। তাঁর ভাষ্য, তিনিও পরিস্থিতির অসহায়ত্বের কারণে হাসছেন। তাঁর কথায়, ‘এটাই দেশ, এটাই বাংলাদেশ, আপনিও নাগরিক, আমিও নাগরিক, আমরা উভয়েই কিন্তু একেবারে হেল্পলেস সিচুয়েশনে।’

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ক্ষমতাধীন সরকার বিএনপি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের দায়িত্বের মধ্যে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রয়েছে। তাঁর দাবি, ইসিবির ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং চাপাতি ও কোদালসহ বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের ফোনের ভিডিও ও চেহারাও তিনি দেখেছেন বলে জানান। মানুষের কাছ থেকেও তাঁদের বিএনপির নাম নেওয়ার কথা শুনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, বিএনপি, আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো পক্ষের লোকজন—কে কোন ভূমিকায় ছিল, সেটি তাঁর দেখার বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন সালমান মুক্তাদির। তাঁর বক্তব্য, মূল বিষয় হলো নাগরিকদের নিরাপত্তা। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিএনপির পিআর ম্যানেজমেন্ট ক্রাইসিস সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে—এ নিয়ে তিনি ‘কনফিউজড’।

সালমান মুক্তাদির বলেন, সাধারণ মানুষের প্রশ্ন কে কী করেছে তা নয়; তারা তদন্তের জন্য নয়, ‘অ্যাকশনের’ জন্য সরকারের কাছে আসে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো সামরিক বাহিনীর সদস্যের সম্পৃক্ততার কথা বলেছেন—এমন দাবি করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তদন্তের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কোনো উত্তর বা কার্যকর পদক্ষেপের কথা জানানো হয়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে তাঁকে ভদ্রলোক বলা এবং তাঁর চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘ফালতু’ভাবে উপস্থাপনের সমালোচনাও করেন সালমান মুক্তাদির। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই তাঁর বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে বিষয়টিতে জড়িয়েছেন এবং এতে নিজেকেই ছোট করেছেন।

সালমান মুক্তাদির বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত কিছু নেই; তিনি শুধু সত্য কথা বলেছেন। তিনি জানান, সরকারের কাছে তাঁর কোনো প্রত্যাশা নেই এবং তিনি চুপ ছিলেন। তাঁর মতে, ঘটনাটি নিয়ে সরকার ও বিভিন্ন পক্ষ সংবাদ সম্মেলন বা বক্তব্য দেওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ইসিবির ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রীর আসন ও ১৭ আসনের সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখ করে সালমান মুক্তাদির বলেন, তারেক রহমানের আসনে এমন ঘটনা ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের অন্যতম প্রমিনেন্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তাঁর স্টুডিওতে এক রাতে এত বড় ঘটনা ঘটেছে এবং বিষয়টি তারেক রহমানের সরকারের সময়ে ঘটেছে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ঘটনাটিকে ‘সামান্য ভাঙচুর’ হিসেবে দেখানোর সমালোচনা করেন এবং বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নেই এবং তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দিয়েছেন। এখন তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও প্রশ্ন রাখছেন—যে প্রশ্নের উত্তর কোনো পদক্ষেপের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব, সে ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে হবে। সালমান মুক্তাদির বলেন, তিনি সরকারের কাছে টাকা-পয়সা চান না, তাঁর স্টুডিও পুনর্নির্মাণেরও প্রয়োজন নেই; তিনি নিজেই সক্ষম এবং কারও কাছে ভিক্ষা চাইবেন না।

সালমান মুক্তাদির জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেক মানুষ তাঁকে ফোন করেছেন। চাইলে তাঁদের সঙ্গে বসতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করছেন না। কারণ, তিনি বাংলাদেশের মানুষের ভরসা নষ্ট করতে চান না এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে চান না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক পক্ষ নিজেদের মতো করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক দলের কর্মীরা নিজেদের স্বার্থে ঘটনাটি নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত কোনো কিছু প্রয়োজন নেই। তাঁর মাধ্যমে যদি সরকার মানুষের সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে না পারে, তবু তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষতি নিয়ে সমস্যা নেই। তিনি নিজের উপার্জন দিয়ে আবার স্টুডিও তৈরি করতে পারবেন এবং কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সালমান মুক্তাদির বলেন, প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় থেকে ফোন আসছে, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে ঘটনাটি প্রচার হচ্ছে এবং পুরো বাংলাদেশে বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসে সামান্য ভাঙচুর হয়েছে এবং মামলা করা হয়নি—এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপি বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না—এমন অবস্থানেরও সমালোচনা করেন তিনি।

নিজের যোগ্যতা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মূল্যায়ন প্রসঙ্গে সালমান মুক্তাদির বলেন, তদন্ত হবে এবং সরকার বিষয়টি দেখবে—এটা তিনি বোঝেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই ধর্ষণ, হত্যা ও চাঁদাবাজি নিয়ে কথা বলেছেন বলে জানান তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এসব বিষয়ে কথা বলেছেন এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকায় তাদের বিরুদ্ধেও কথা বলবেন বলে জানান। তাঁর যুক্তি, ক্ষমতায় থাকা সরকারের কাছ থেকেই জনগণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজ প্রসঙ্গে সালমান মুক্তাদির বলেন, লুটপাটের ঘটনায় সিসিটিভির সার্ভারে পুরো ফুটেজ জমা থাকার কথা। তাঁর দাবি, হামলাকারীরা ক্যামেরা ভাঙার পাশাপাশি সার্ভারও নিয়ে গেছে। তবে কতজন মানুষ ছিল, হামলার দৃশ্যসহ বিভিন্ন ফোনে ধারণ করা ফুটেজ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিভিন্ন পক্ষের বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রসঙ্গ তুলে সালমান মুক্তাদির বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে চাইলে তিনি সামনে আছেন এবং কোথাও পালিয়ে যাচ্ছেন না। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা মোকাবিলা করতেও তিনি প্রস্তুত। তাঁর প্রশ্ন, একতরফাভাবে বক্তব্য না দিয়ে তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হচ্ছে না কেন।

ভিডিও বার্তার শেষ দিকে সালমান মুক্তাদির বলেন, পুরো ঘটনা থেকে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া নেই। তিনি তাঁর স্টুডিও আবার তৈরি করতে পারবেন এবং কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সেটিই বড় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর আসনে এমন ঘটনা ঘটেছে, ঘটনাস্থলের সামনে ক্যান্টনমেন্ট মাত্র পাঁচ মিনিটের হাঁটার দূরত্বে—তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বের দিকে কেন আঙুল তোলা হচ্ছে, সেটি বোঝা উচিত।

ইএইচপি

ট্যাগ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালে ভর্তি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫ হাম হাম রোগ হাম পরিস্থিতি হামের উপসর্গ বাংলাদেশে হাম নিশ্চিত হাম হাম রোগীর সংখ্যা হামে শিশুর মৃত্যু হামের উপসর্গে মৃত্যু নিশ্চিত হাম রোগী শিশুদের হাম হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র হামের উপসর্গে আক্রান্ত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু হামের পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদন হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদন হামে আক্রান্ত শিশু হামের উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯ শিশুর মৃত্যু ১ হাজার ৩৪১ শিশু ১ হাজার ২২৮ শিশু ২১ হাজার ২১২ নিশ্চিত হাম রোগী ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৮ হাম রোগী ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ সুস্থ ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু ১০১ শিশুর মৃত্যু

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত