×

ঢাকা, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

রাজধানীর বাজারে কমেছে শীতকালীন সবজির দাম

২০২৬ নভেম্বর ০৭ ১০:০৬:১৭

রাজধানীর বাজারে কমেছে শীতকালীন সবজির দাম

ডুয়া ডেস্ক: শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে কমতে শুরু করেছে বেশ কিছু সবজির দাম। শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার মতো মৌসুমি সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে টমেটো, কাঁচা মরিচ, গাজর ও গোল বেগুনের দাম এখনো বেশি। এদিকে মাছ ও মাংসের বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। অধিকাংশ পণ্য আগের সপ্তাহের কাছাকাছি দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, পূর্ব তেজতুরি বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। আকারভেদে প্রতিটি ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মুলার দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা। এ ছাড়া ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলু ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছু সবজির দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। প্রতি কেজি টমেটো ও কাঁচা মরিচের দাম ১২০ টাকা। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা এবং গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে। অন্য জাতের বেগুনের দাম তুলনামূলক কম, প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা। দেশি শসা ৮০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ঢেঁড়স ও কচুমুখীর কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বরবটি, করলা ও কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। প্রতিটি লাউয়ের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ক্রমেই বাড়ছে। ফলে বেশ কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে। সামনে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা জয়নাল মিয়া বলেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ অনেক বেড়েছে। এ কারণে বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও মাছের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। আগের সপ্তাহের কাছাকাছি দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ মাছ।

বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ আকারভেদে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাতলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। কোনো কোনো বাজারে বড় আকারের ইলিশের দাম ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

মাংসের বাজারেও দামের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা।

অন্যদিকে, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ৫ নভেম্বরের খুচরা বাজারদরের তথ্যেও নিত্যপণ্যের দামের ওঠানামার চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, বেগুন, ফার্মের ডিম, ছোলা, সুগন্ধি পোলাও চাল ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে। বিপরীতে প্যাকেট ময়দা, খোলা পাম তেল ও চিনির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত