ঢাকা, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাংকিংয়ে ঢাবির অবনতি নিয়ে অধ্যাপক কামরুলের ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক: টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাংকিংয়ে দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১০০০-এর বাইরে চলে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাবির পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান কমার বিপরীতে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা করে ড. কামরুল হাসান মামুন লিখেছেন, ‘টাইমস হাইয়ার এডুকেশন র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নেমে এখন ১-১০০০ থেকে ছিটকে ১০০১ থেকে ১২০০ এর মধ্যে গিয়ে ঠেকেছে। আর পাকিস্তানের কায়েদ-এ আজম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেঙ্কিং হয়েছে ৫৫১-৬০০ এর মধ্যে। আর ভারতের কথা কি বলব। ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স এর অবস্থান হলো ২৫৪! এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের ফেকাল্টিদের কথা যদি বলি সেটা এমআইটি, কেমব্রিজ, হার্ভার্ডের ফ্যাকাল্টি থেকে কোন অংশে কম না।’
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও লিখেছেন, ‘তারপর আসি চীনের কথা, আগাতে আগাতে চীনের সেরা প্রতিষ্ঠান যেইদিন ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে চীনের Tsinghua University-র রেঙ্কিং হলো ১১ আর পীকিং ইউনিভার্সিটির র্যাংকিং ১৩! আজ থেকে ২০ বছর আগে কেউ কল্পনাও করতে পারতো না আজকের অবস্থানে আসবে। যেইদিন চীনের কোন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়ার্ল্ড রের্যাংকিংয়ে ১ নম্বরে আসবে সেই দিনই চীন হবে পৃথিবীর এক নম্বর সুপার পাওয়ার। চীনের উন্নতির সাথে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হাত ধরাধরি করে এগুচ্ছে। আমেরিকা এক নম্বরে কারণ আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়। ইংল্যান্ড, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এত উন্নত কারণ তাদের বিশ্ববিদ্যালয়।’
র্যাংকিংয়ের গুরুত্ব নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন লিখেছেন, ‘অনেকেই র্যাংকিংকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করে। খারাপ করলে ধান্দাবাজরা তাই করে। দুর্নীতিতে র্যাংকিংয়ে যখন ১ নম্বর হই তখনও আমাদের সরকার এমন কথা বলে। কিন্তু শেষ কথা হল র্যাংকিং ম্যাটার্স। এই যে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি এটাও বলে দিচ্ছে আমরা এগুচ্ছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কি এই অধঃপতনের লক্ষণ কখনো কান পেতে শোনার বা চোখ মেলে দেখার চেষ্টা করেছে? বিশ্ববিদ্যালয় যদি মেধাবীদের ধরে না রাখতে পারে সেই বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে সামনে আগাবে? গত দশ বছরে কত শত মেধাবী চাকুরী ছেড়ে চলে গেছে সেই হিসাব কি কারো কাছে আছে?’
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ পদে নিয়োগ, আবেদনের শেষ সময় ৬ অক্টোবর
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৫ অক্টোবর)
- মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বাংলাদেশে দেখবেন যেভাবে
- অক্টোবরে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা মন্ত্রণালয়ের
- পে স্কেল বাস্তবায়নে মাউশির নতুন নির্দেশনা
- বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষকদের সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতার চেক ছাড়
- ব্রাজিল বনাম ভারত: সরাসরি দেখুন এখানে
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ
- আজকের নামাজের সময়সূচি (২ অক্টোবর)
- ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল
- যে কারণে স্থগিত বাংলাদেশ-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ম্যাচ
- শিশুশ্রম বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
- আজকের নামাজের সময়সূচি (১ অক্টোবর)
- এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেল নিয়ে যা জানা গেল