ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

এফআইআর প্রত্যাহার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল

২০২৬ মে ১২ ১৫:১২:৩৬

এফআইআর প্রত্যাহার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। শুনানিতে আদালত মন্তব্য করেন, একবার এফআইআর দায়ের হওয়ার পর সেটি প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। এ সময় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার এজাহারের প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়।

ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

রাহিদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা তাকে মারধর করেন এবং পরে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে যান।

তিনি বলেন, ‘আমার মাথা, হাতসহ পুরো শরীরে ইট, বেল্ট ও মোটরসাইকেলের লক দিয়ে আঘাত করা হয়। প্রথমে এসএম হলের সামনে, পরে ভিসি চত্বরের সামনে এবং বিভিন্ন স্থানে আমাকে মারধর করা হয়। এমনকি শাহবাগ থানার সামনেও আমাকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়। থানার ভেতরে নেওয়ার পর পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে।’

তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন।

তবে অভিযোগকারীরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি, রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে যুক্ত ছিলেন কি না।

ঘটনার পর রাহিদের মা শাহবাগ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

তবে এজাহার দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয়। কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত