ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
বিএনপিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিন পর দলীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতির মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত না হলেও ২০২৬ সালের মধ্যেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ের কমিটি পুনর্গঠন সম্পন্ন করার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি।
প্রসঙ্গত, বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে। এর পর দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি। যদিও সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে, তবে এখনো আনুষ্ঠানিক সূচি ঘোষণা করা হয়নি।
এবারের কাউন্সিল ঘিরে দলের মহাসচিব পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি অবসরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত। বয়সজনিত ক্লান্তি ও শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, কাউন্সিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন শেষে তিনি অব্যাহতি নিতে চান।
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সাল থেকে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ থেকে টানা পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ২০০৯ সালের পঞ্চম কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।
তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটে ষাটের দশকে, যখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সময় বামপন্থী ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ছাত্র ইউনিয়নের এস.এম. হল শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তাকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।
শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৭২ সালে তিনি ঢাকা কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। চাকরিকালে অডিট অধিদপ্তর ও ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর একান্ত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন।
পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি এবং ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হন। এরপর থেকে তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভূমিকা রেখে আসছেন।
এএসএম/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান, জবাবে ১৬৯ রান
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- শনিবার ঢাকায় বন্ধ যেসব মার্কেট ও দোকানপাট
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন