ঢাকা, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২

আমরা শুনতে চাই যে বাংলাদেশে আর চাঁদাবাজি হবে না: জামায়াত আমির

২০২৬ মার্চ ২৩ ১৮:৪০:৫৫

আমরা শুনতে চাই যে বাংলাদেশে আর চাঁদাবাজি হবে না: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে নিজ এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মন্ত্রী বলেছেন অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেওয়া হবে। এতো মানুষ ঢাকা ছেড়েছে, তাদের টাকা ফেরত দিতে তাদের পাবেন কীভাবে? ঈদের সময় যাত্রীরা টিকিট কিনতে গিয়ে দেখেছেন অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি। যে আশা নিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবে, সেমাই খাবে—তার আনন্দ তো এখানেই মাটি হয়ে গেলো।’

সরকারকে সতর্ক করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হয়েছে। অনিয়ম হলেও আমরা মেনে নিয়েছি যেন দেশটা অচল না হয়। তবে আপনারা যদি সঠিক ধারায় ফিরে না আসেন, তাহলে সারা দেশের মানুষ কিন্তু জুলাই যোদ্ধা। এই মানুষগুলো আপনাদের ক্ষমা করবে না।’

বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসভবন ব্যবহারের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘সরকার বিরোধীদলীয় নেতাকে যে বাড়ি দিয়েছে, সেই বাড়িতে আমি থাকবো না। এটি ব্যবহার করবো দেশের প্রয়োজনে। সেখানে বিদেশি মেহমানদের নিয়ে কথা বলব। শুধু রাষ্ট্রের কাজে এটি ব্যবহার করা হবে।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারে থেকে চাঁদাবাজি করতে হয় না। আমরা সরকারের কণ্ঠে শুনতে চাই যে বাংলাদেশে আর চাঁদাবাজি হবে না, মানুষের ওপর জুলুম হবে না। সরকার যদি তা নিশ্চিত করে, তবে আমরা সব ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা ও সমর্থন দেবো। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ জনস্বার্থের বিপক্ষে গেলে আমরা তার প্রতিবাদ করবো এবং প্রয়োজনে প্রতিহত করবো।’

এদিন নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় জনগণ তাকে বিশাল মোটরসাইকেল বহর নিয়ে অভ্যর্থনা জানান। বাড়িতে প্রবেশের আগে তিনি পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত