ঢাকা, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
আজ বিশ্ব মা দিবস
পার্থ হক: মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন আজ বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর নানা প্রান্তে এই দিনটি ঘিরে আবেগ, স্মৃতি আর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে ভিন্ন ভিন্ন আয়োজনে। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে দিনটি পালিত হচ্ছে যথাযথ মর্যাদায়।
প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালন করা হয়। ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
‘মা’ শব্দটি পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ও পবিত্র একটি উচ্চারণ। কবির ভাষায় ‘মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু যেন ভাই, ইহার চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই।’
মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিনের প্রয়োজন না থাকলেও, বিশেষ এই দিনে বিশ্বজুড়ে সন্তানরা তাদের মায়েদের স্মরণ করেন বাড়তি আবেগে। কারণ মা ও সন্তানের সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ও অটুট বন্ধনগুলোর একটি।
বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি আয়োজন করেছে।
মা দিবসের ইতিহাস বহু পুরোনো। মধ্যযুগে ইউরোপে একটি প্রথা ছিল, যেখানে কর্মসূত্রে দূরে থাকা মানুষ লেন্টের চতুর্থ রোববারে নিজ বাড়ি ও মায়ের কাছে ফিরে আসতেন। সেই সময় ১০ বছর বয়স থেকেই অনেককে কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকতে হতো। ফলে এই দিনটি পরিবারে ফিরে এসে একত্র হওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করত। ব্রিটেনে এটি ‘মাদারিং সানডে’ নামে পরিচিত ছিল। তবে লেন্টের তারিখ পরিবর্তনের কারণে দিনটিও নির্দিষ্ট থাকত না।
আধুনিক মা দিবসের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার দিনটি পালন করা হয়। আনা জারভিস নামে এক নারী দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে কাজ করেছিলেন। ১৯০৫ সালে তার মৃত্যুর পর তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্যোগী হন। সেই বছরই তিনি তার সানডে স্কুলে প্রথম মা দিবস পালন করেন।
পরবর্তীতে ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া একটি বক্তব্যে মায়ের জন্য আলাদা দিবসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানিসহ শতাধিক দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবেও ঘোষণা করেন।
মা দিবসে সন্তানরা মাকে উপহার দেন, সময় কাটান এবং ভালোবাসা প্রকাশ করেন নানা উপায়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে ওঠে মা-সন্তানের স্মৃতিময় ছবি ও বার্তায়। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস ও উপহার সামগ্রীর দোকানগুলোও এ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করে, রেস্টুরেন্টগুলো দেয় নানা অফার।
সবকিছুর পরেও এই দিনের মূল তাৎপর্য একটাই মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও স্নেহের প্রতি গভীর সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানো।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার আর নেই
- বিমান বাহিনীতে ৪৫ ক্যাটাগরিতে ৩৪২ শূন্যপদে চাকরির সুযোগ
- শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক দেবে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, আবেদন করবেন যেভাবে
- ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, ৫৮ জন শনাক্ত
- বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার
- পরীক্ষা ছাড়া একাদশে ভর্তি শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৭ পদে নিয়োগ
- লন্ডনে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকের কোচ ট্রিপ অনুষ্ঠিত
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে
- এ টি এম আবদুল বারী ড্যানীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের অভিনন্দন
- প্রথম দিনেই বাজিমাত জিতের নতুন সিনেমার
- সমকামিতার অভিযোগে ঢাবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
- রঞ্জন কর্মকারের মৃ'ত্যুতে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শোক প্রকাশ