ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে স্থবির বা অপরিবর্তনীয় কোনো দলিল হিসেবে দেখছে না সরকার। প্রয়োজন সাপেক্ষে আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তিতে যেকোনো ধরনের পরিমার্জন বা সংশোধন সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি এই নমনীয় ও ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানান।
চুক্তির গতিশীলতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রয়োজন হলে আলোচনার মাধ্যমে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে।’ তিনি মনে করেন, এই চুক্তির অনেক উপাদানই ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে চুক্তিটিকে এখনই পুরোপুরি নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে বিচার না করে একটি বাণিজ্যিক বাস্তবতার নিরিখে দেখাই শ্রেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতার বিষয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নতুন গঠিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়াও মিলেছে বলে জানান মন্ত্রী।
চুক্তির ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সব সময় দরকষাকষি থাকে। আলোচনার মাধ্যমেই একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়। সাবেক মার্কিন প্রশাসনের চিঠিতে সামরিক বিষয়ের উল্লেখ থাকলেও তা নিয়ে কোনো কথা হয়নি, কারণ ‘সামরিক বিষয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নয়।’ এছাড়া নির্দিষ্টভাবে এই চুক্তি নিয়ে আলাদা কোনো আলোচনার প্রয়োজনীয়তাও ছিল না।
বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে কিছু ‘নন-ট্যারিফ’ বাধা দূর করার ওপর জোর দেন মন্ত্রী। তিনি বিশ্বাস করেন, এসব বাধা কাটলে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থাগুলোর সহায়তা পাওয়া আরও সহজ হবে এবং বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় হবে। অন্যদিকে, ভিসা বন্ড সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের দায়িত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দিয়ে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যাতায়াত আরও সহজতর হবে।
বৈঠকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আলোচনা শেষে মন্ত্রী জানান, মার্কিন উচ্চ আদালতের ট্যারিফ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক রায়গুলো সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ বিষয়টি এখনও একটি উন্নয়নশীল পর্যায়ে রয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু ৩০ আগস্ট
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- ৩৫০০ টাকায় পর্নোগ্রাফির ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দিতেন সুমাইয়া
- ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত